নোট বাতিলের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দিতে রাজি হল না সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সাধারণ মানুষের হয়রানি নিয়ে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিল সরকারকে। নোট সঙ্কটের জেরে জনসাধারণকে রোজ যে সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা লাঘবের জন্য অর্থ মন্ত্রক কী পদক্ষেপ নিয়েছে? হলফনামা দিয়ে জানাতে বলা হয়েছে সরকারকে।
৫০০ টাকা এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ চেয়ে এক গুচ্ছ আবেদন জমা পড়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। প্রধান বিচারপতি টিএস ঠাকুর এবং বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ সেই আবেদনগুলির উপর আজ শুনানি গ্রহণ করে। একাধিক আবেদনকারীর কৌঁসুলিই এই নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে সওয়াল করেন। কিন্তু বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, নোট বাতিলের সিদ্ধান্তে সুপ্রিম কোর্ট কোনও স্থগিতাদেশ দেবে না।
আরও পড়ুন: ‘কালো টাকাই দেশকে বাঁচিয়েছিল আর্থিক মন্দার কঠিন সময়ে’
এক আবেদনকারীর কৌঁসুলি হিসেবে এজলাসে হাজির ছিলেন দেশের প্রাক্তন আইনমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল। তিনি অবশ্য স্থগিতাদেশ চাননি। জনসাধারণের হয়রানি দূর করতে সরকার কী করছে, তার জবাব চাওয়া হোক, আদালতে তিনি এই আর্জিই জানান।
সিব্বলের আর্জি মেনে নিয়ে সরকারের কাছে জবাব তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট। অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহতগিকে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ, নগদের জোগানে সঙ্কটের জেরে সাধারণ নাগরিকরা যে সমস্যায় পড়েছেন, তা কাটাতে সরকার এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা হলফনামা দিয়ে জানানো হোক।