Advertisement
E-Paper

একত্রবাসের সম্পর্ক ভেঙে দিলেই তা অপরাধ হয়ে যায় না! পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের, প্রশ্ন ধর্ষণের অভিযোগ নিয়েও

সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরে যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন ওই তরুণী। তাঁর অভিযোগ, বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে সহবাস করেছেন অভিযুক্ত।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:২২

— প্রতীকী চিত্র।

একত্রবাসের সম্পর্ক কেউ ভেঙে দেওয়া মানেই তা অপরাধ নয়। সম্প্রতি এক মামলার পর্যবেক্ষণে এমনটাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। সম্পর্কে থাকাকালীন যুগল যে এক সন্তানেরও জন্ম দিয়েছে, সে কথাও উল্লেখ করেন শীর্ষ আদালতের বিচারপতি এনভি নাগরত্ন। সে ক্ষেত্রে এখন কী ভাবে যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

বিচারপতি নাগরত্ন বলেন, “এটা একটা একত্রবাসের সম্পর্ক। বিয়ের আগে যুগল এক সন্তানের জন্ম দিয়েছে। এখন ধর্ষণ এবং যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। এটা কেমন কথা?” পরস্পরের সম্মতিতে গড়ে ওঠা একটি সম্পর্ক থেকে কী ভাবে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে, তা নিয়েও প্রশ্ন বিচারপতির।

সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরে যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন ওই তরুণী। তাঁর অভিযোগ, বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে সহবাস করেছেন অভিযুক্ত। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি শুনানির জন্য উঠলে একত্রবাসের সম্পর্কের ‘ঝুঁকি’র কথা উল্লেখ করেন বিচারপতি। তাঁর মতে, প্রাপ্তবয়স্কেরা যখন বিয়ে না করে একত্রবাসের সিদ্ধান্ত নেন, তখন এই ধরনের সম্পর্কগুলিতে প্রায়শই কিছু ঝুঁকি থেকে যায়। তিনি বলেন, “যেখানে পরস্পরের সম্মতিতে একটি সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে, সেখানে অপরাধের প্রশ্ন আসে কী ভাবে?”

Advertisement

বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “একত্রবাসের সম্পর্কে এমনটাই ঘটে থাকে। তারা বছরের পর বছর একসঙ্গে থেকেছেন। তার পরে যখন বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তখন পুরুষসঙ্গীর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করেন মহিলা। এ সবই হল বিয়ে না করে এই ধরনের সম্পর্কে থাকার কিছু সমস্যা।”

মামলাকারীর আইনজীবী জানান, অভিযুক্তের সঙ্গে যখন তাঁর মক্কেলের পরিচয় হয়, তখন তাঁর মক্কেলের বয়স ছিল ১৮ বছর। অভিযুক্ত তাঁকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। অথচ ওই সময়ে অভিযুক্ত বিবাহিত ছিলেন এবং তাঁর মক্কেল সে বিষয়ে কিছু জানতেন না বলে দাবি আইনজীবীর। সে ক্ষেত্রে বিচারপতি নাগরত্নের প্রশ্ন, “বিয়ে না করেই কেন ওই ব্যক্তির সঙ্গে থাকতে এবং সন্তানের জন্ম দিতে রাজি হয়েছিলেন তরুণী?” তরুণীর প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করলেও আদালত জানিয়েছে, এ ধরনের ঘটনাকে ফৌজদারি অপরাধ বলে গণ্য করা যায় না। তবে অভিযোগকারী সন্তানের জন্য ভরণপোষণ চাইলে পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বিচারপতি নাগরত্ন।

Supreme Court Live-In Relationship
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy