নিজের গাড়িচালক রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নুকে ভরসা করতেন তিনি। সূত্রের দাবি, সেই ভরসার সুযোগ নিয়েই টিন্নু দিনের পর দিন রামমন্দিরের অনুদান সরিয়েছে বলে ঘরোয়া মহলে দাবি করেছেন রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্রের সাধারণ সম্পাদক তথা বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)-এর সহ-সভাপতি চম্পত রাই।
বিরোধীদের মতে, এটি মন্দিরের সর্বেসর্বা হিসেবে দায় এড়ানোর চেষ্টা ছাড়া কিছু নয়। যোগী আদিত্যনাথ প্রশাসনের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গড়াকে ‘লোকদেখানো’ বলেছেন কংগ্রেসের লোকসভার সাংসদ কে সি বেণুগোপাল। প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘যা মনে হচ্ছে, প্রমাণ লোপাটের জন্যই সিট গড়া হয়েছে।’ তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নিয়ে তদন্ত কমিটি গড়া হোক।
অনুদান চুরির অভিযোগে ধৃত আট জনের অন্যতম টিন্নু। অভিযোগ, চম্পতের ঘনিষ্ঠ বৃত্তে থাকার সুযোগ নিয়ে কার্যত মন্দিরের যাবতীয় কাজকর্মে দখলদারি শুরু করেছিল সে। চম্পতের দাবি, ধরা পড়ার আগে চুরির কথা সমাজবাদী পার্টির এক নেতাকে জানিয়ে দেয় টিন্নু। ফলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। চম্পতের বয়ান আগেই নিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। আজ চম্পতের সঙ্গে ইস্তফা দেওয়া ট্রাস্টি অনিল মিশ্রেরও বয়ান নেয় পুলিশ। বয়ান নেওয়া হয়েছে অছি পরিষদের বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য গোপাল রাইয়েরও। সূত্রের মতে, মন্দির নির্মাণের সময়ে বাজার মূল্যের চেয়ে বেশি দামে মন্দির-সংলগ্ন জমি কেনার অভিযোগ উঠেছিল মন্দির কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, জমি কেনাবেচায় যুক্ত মন্দির কর্তৃপক্ষের সদস্যেরা নিজেদের কমিশন বেশি রাখায় জমির দাম বেড়ে যায়।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)