আগামী ৮ জুন দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধীদের ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের বৈঠকে ডিএমকে দলকে নিয়ে আসতে উদ্যোগী হলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। একই সঙ্গে রাহুল গান্ধীও আজ ডিএমকে-র প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত করুণানিধিকে তাঁর জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ডিএমকে-কে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন। ডিএমকে-র সঙ্গ ছেড়ে বিজয়ের টিভিকে-র সঙ্গে হাত মেলানোর পরে কংগ্রেস ও ডিএমকে-র মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। তৃণমূল ডিএমকে নেতৃত্বকে ইন্ডিয়া-র বৈঠকে আনার বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ায় ডিএমকে বিষয়টি বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছে। তা বলে অবশ্য টিভিকে-র সঙ্গে কংগ্রেসের নতুন তৈরি সম্পর্কে কোনও ছেদ পড়ছে না।
টিভিকে আজই ঘোষণা করেছে, তামিলনাড়ুতে রাজ্যসভায় তারা প্রথম একটি আসনে জিততে পারত। সেই আসন টিভিকে কংগ্রেসকে ছেড়ে দিচ্ছে। কংগ্রেস ও টিভিকে, দুই দলকে কাছাকাছি আনার বিষয়ে রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ, কংগ্রেসের ডেটা অ্যানালিটিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রবীণ চক্রবর্তী প্রধান ভূমিকা নিয়েছিলেন। তাঁকে কংগ্রেস তামিলনাড়ু থেকে রাজ্যসভায় পাঠাতে পারে।
দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে ৮ জুনের বৈঠকে কংগ্রেস, তৃণমূল, আরজেডি, এসপি, এনসি, উদ্ধবপন্থী শিবসেনা, শরদ পওয়ারের এনসিপি-র যোগ দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। স্থির হয়েছে, ভিডিয়ো কনফারেন্সে নয়, সব দল মুখোমুখি বসবে। বৈঠকের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করার সময়েই ডিএমকে জানিয়েছিল, তারা এই বিজেপি-বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের সঙ্গে রয়েছে। কিন্তু এ বারের বৈঠকে যোগ দেবে না। তামিলনাড়ুর ভোটে ডিএমকে-কংগ্রেস-বাম জোটের হারের পরে ডিএমকে-র সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস বিজয়ের টিভিকে-র হাত ধরেছে। তাই তাদের পক্ষে কংগ্রেসের পাশে বসে বৈঠক করা সম্ভব নয়।
সূত্রের খবর, এ বিষয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে কথা বলেই উদ্যোগী হয় তৃণমূল। ডিএমকে-কে জানানো হয়, যে দলের এক জনও সাংসদ নেই, সেই দলকে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে না। তাই টিভিকে-কে ডাকা হচ্ছে না বৈঠকে। তৃণমূলের সংশ্লিষ্ট নেতাকে ডিএমকে জানিয়েছে, তারা বিবেচনা করে জানাবে। কংগ্রেসের এক নেতার বক্তব্য, ‘‘টিভিকে রাজ্যসভায় এক জন সাংসদ পেতে পারত। কিন্তু কংগ্রেসকে ছেড়ে দিল। এর পরে কি টিভিকে-র কোনও সাংসদ নেই বলে তাদের বৈঠকের বাইরে রাখা উচিত!’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)