Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৫ জুলাই ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

পুলিশি অভিযানে নিহত পুলওয়ামা হামলায় জড়িত জইশ জঙ্গি ‘ফৌজি ভাই’

ফৌজি ভাইয়ের সঙ্গে অভিযানে নিহত হয়েছে পুলওয়ামার করিমাবাদের বাসিন্দা জাহিদ মনজুর ওয়ানি এবং শোপিয়ানের সিরায়ুন গ্রামের বাসিন্দা মনজুর আহমদ কর।

সংবাদ সংস্থা
শ্রীনগর ০৩ জুন ২০২০ ১৭:০৮
Save
Something isn't right! Please refresh.
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

Popup Close

গত বছর পুলওয়ামাসিআরপিএফ কনভয়ে হামলায় ৪০ সিআরপি জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। পরবর্তী কালে ভারতের এয়ার স্ট্রাইক, ভারতীয় বায়ুসেনার উইং কমান্ডার অভিনন্দর বর্তমানের ধরা পড়া এবং ফিরে আসা ঘিরে কার্যত ভারত-পাক যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এ বার সেই হামলায় জড়িত এক জইশ জঙ্গীকে গুলি করে মারল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। ইদ্রিস, হায়দার, লম্বুর মতো একাধিক নাম থাকলেও ‘ফৌজি ভাই’ নামেই বেশি পরিচিত ছিল এই জঙ্গি। বুধবার দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামার কঙ্গন গ্রামের আসতান মহল্লায় একটি বাড়িতে তাকে গুলি করে মারে পুলিশ। ফৌজি ভাইয়ের সঙ্গে থাকা তার নিরাপত্তারক্ষীরাও নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলওয়ামায় সিআরপি কনভয়ে আত্মঘাতী গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছিল। কয়েক দিন আগেই উপত্যকায় প্রায় একই রকম একটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। তবে ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। অগস্টে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়ার পর থেকে এটাই ছিল সেই অর্থে বড় জঙ্গি কার্যকলাপ। ওই বিস্ফোরণের পরেই পুলিশ ও গোয়েন্দাদের অনুমান ছিল, উপত্যকায় নতুন করে জঙ্গি কার্যকলাপ পরিকল্পনা ও তৎপরতা শুরু করেছে পাক জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি।

জঙ্গিদের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে আতে সোর্স ও ইন্টেলিজেন্স নেটওয়ার্ক জোরদার করা হয়। তাতেই খোঁজ মেলে ফৌজি ভাইয়ের। পুলওয়ামার কঙ্গন গ্রামে একটি ‘নিরাপদ আস্তানা’য় রয়েছে বলে খোঁজ পায় পুলিশ। তার পরেই বুধবার অভিযানে নামে পুলিশ। বিশাল বাহিনী নিয়ে পুরো বাড়ি ঘিরে ফেলা হয়। তার পর গুলি করে মারা হয় ফৌজি ভাইকে।

Advertisement

আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের উপকূলে মুম্বইয়ের কাছে আছড়ে পড়ল নিসর্গ

আরও পড়ুন: লাদাখে উত্তেজনার মধ্যেই শনিবার ভারত-চিন সামরিক পর্যায়ের বৈঠক

ফৌজি ভাইয়ের সঙ্গে অভিযানে নিহত হয়েছে পুলওয়ামার করিমাবাদের বাসিন্দা জাহিদ মনজুর ওয়ানি এবং শোপিয়ানের সিরায়ুন গ্রামের বাসিন্দা মনজুর আহমদ কর। এই দু’জন ২০১৭ সালে জইশ-ই-মহম্মদে যোগ দিয়েছে বলে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ অনেক দিন আগেই জানতে পারে। তারাও ওই বাড়িটিতেই ছিল। জম্মু কাশ্মীর পুলিশের কাশ্মীর জোনের আইজি বলেন, ‘‘ফৌজি ভাইকে গুলি করে মারার পর এটাই দেখিয়ে দিল যে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ জইশের নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে পারে।’’

সাধারণত জইশ জঙ্গিরা সাধারণ মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে না। আইজি বলেন, অন্য জইশ জঙ্গিদের মতো ফৌজি ভাই কখনও মোবাইল ফোন বা বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেনি। তার পরিবর্তে স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement