এক মহিলা চিকিৎসককে শ্লীলতাহানি এবং কটূক্তির অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করা হল। তবে পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় আরও এক অভিযুক্ত রয়েছেন। তাঁর খোঁজ চলছে। উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের এমসে কর্মরত নাগাল্যান্ডের এক মহিলা চিকিৎসকের অভিযোগে এই গ্রেফতারি।
পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, স্থানীয় এক শপিং মল থেকে ওই চিকিৎসককে অনুসরণ করেন অভিযুক্তেরা। প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা ওই মহিলার পিছু পিছু আসেন। এমসে প্রবেশের মুখে তাঁকে আটকে শ্লীলতাহানি, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ। গোরক্ষপুরের পুলিশ সুপার অভিনব ত্যাগী বলেন, ‘‘এই ঘটনায় তিন জন জড়িত। তাঁদের মধ্যে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের মঙ্গলবারই আদালতে হাজির করানো হবে। তৃতীয় জনের খোঁজে বিভিন্ন দিকে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।’’
এই ঘটনার নিন্দা করেছেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। তাঁর মতে, উত্তর-পূর্ব ভারতের মহিলাদের বর্ণগত বৈষম্য এবং যৌন হয়রানির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ওই মহিলা চিকিৎসকের সঙ্গে যা ঘটেছে, তা লজ্জাজনক। মনে রাখা উচিত, মহিলারা আপনার বোন বা কন্যা। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান কনরাড।
আরও পড়ুন:
রবিবার ঘটনাটি ঘটলেও সোমবার অভিযোগ দায়েরের পর প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ ওই চিকিৎসকের বয়ান রেকর্ড করে। এই বিষয়ে কাউকে কিছু বললে ‘ভয়ানক পরিণতি হবে’, অভিযুক্তেরা এমন হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ।
নির্যাতিতা হস্টেলে পৌঁছে তাঁর সহকর্মীদের পুরো ঘটনাটি জানান। তার পরে ঊর্ধ্বতন কর্তাদের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করা হয়। পুলিশ তদন্তে নেমে ওই শপিং মল এবং তার আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুই যুবককে চিহ্নিত করে। তার পরে তাঁদের নিজেদের বাড়ির এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনার সময় তাঁদের সঙ্গে আরও এক জন ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও নাগাল পাওয়া যায়নি।