এ বার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে বিতর্কে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের ছেলে উদয়নিধি।
উদয় এক্স সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন, যাতে দেখা গিয়েছে পাকিস্তানের উইকেটকিপার মহম্মদ রিজওয়ান যখন আউট হয়ে সাজঘরে ফিরছেন, সে সময়ে আমদাবাদ স্টেডিয়ামের দর্শকদের রিজওয়ানকে লক্ষ্য করে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিতে দেখা যায়। উদয় সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘ভারত খেলোয়াড়ি মনোভাব ও আতিথেয়তার জন্য পরিচিত। যদিও পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমদাবাদের দর্শকেরা যা ব্যবহার করেছেন তা মেনে নেওয়া যায় না। দু’দেশকে মেলাবে খেলাধুলো। তা যদি ঘৃণা ছড়াতে ব্যবহার করা হয়, তা হলে তা নিন্দনীয়।’’ অতীতে সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করে বিজেপি শিবিরের সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন উদয়। যার জন্য অস্বস্তিতে পড়তে হয় ‘ইন্ডিয়া’কেও। এ যাত্রাতেও উদয়ানিধির মন্তব্যের সমালোচনায় সরব বিজেপি নেতৃত্ব। দলের মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া উদয়নিধিকে মশার সঙ্গে তুলনা করে বলেন বলেন,‘‘ঘৃণ্য ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার মশা ফের বিষ ঢালতে বেরিয়ে পড়েছে।’’
অতীতে রিজওয়ানকে ম্যাচের মধ্যে নমাজ পড়তে দেখা গিয়েছে। তখন উদয়নিধি কেন চুপ ছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন গৌরব। বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনেক নেটিজেন যেমন উদয়নিধির সমর্থনে লিখেছেন যে খেলার মাঠে ধর্মকে টেনে আনা উচিত নয়, তেমনই অনেকের বক্তব্য, বিষয়টি ধর্ম নয়। ধর্ম হলে ইংল্যান্ড-আফগানিস্তান খেলায় দিল্লির লোকেরা আফগানিস্তানকে একতরফা সমর্থন জানাতেন না। তাঁদের দাবি, রিজওয়ানই প্রথম মাঠে ধর্মকে টেনে নিয়ে আসেন। এ যাত্রায় তারই ‘জবাব’ পেয়েছেন। গত ৬ অক্টোবর নেদারল্যান্ডস-পাকিস্তান ম্যাচ চলাকালীন রিজওয়ানের মাঠে নমাজ পড়ার বিরোধিতা করে ক্রিকেটের আইসিসি-এর এথিকস কমিটিতে অভিযোগ দায়ের করলেন বিনীত জিন্দল নামে এক আইনজীবী। ক্রিকেটের মূল সুরকে বাঁচাতেই ওই পদক্ষেপ করেছেন বলে তাঁর দাবি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)