Advertisement
E-Paper

অজিতের বিমান পুণেয় নামাতে পারতেন পাইলট! রানওয়ে দেখা না-যাওয়ায় কী কী রাস্তা খোলা ছিল? তদন্তের নজরে উচ্চতাও

বুধবার সকালে মুম্বই থেকে বারামতী যাওয়ার পথে অবতরণের সময় ভেঙে পড়ে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিতের বিমান। কোন পরিস্থিতিতে কেন অবতরণের চেষ্টা ব্যর্থ হল, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:৪৮
মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের বিমান ভেঙে পড়ে অবতরণের সময়।

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের বিমান ভেঙে পড়ে অবতরণের সময়। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

মহারাষ্ট্রের বারামতীতে বুধবার সকালে দৃশ্যমানতা কম ছিল। অজিত পওয়ারের বিমান নামানোর প্রথম চেষ্টা তাই বিফল হয়েছিল। সেই সময় পাইলটের সামনে আর কী কী রাস্তা খোলা ছিল? কী করলে বিমানটিকে তিনি বাঁচাতে পারতেন? একাধিক তত্ত্ব উঠে আসছে তদন্তে। বিশেষজ্ঞদের অনেকে মনে করছেন, বারামতীর বদলে বিমানটিকে পুণের দিকে ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া যেত। সে ক্ষেত্রে বিপদ এড়ানো যেত।

বুধবার সকালে মুম্বই থেকে বারামতী যাওয়ার পথে অবতরণের সময় ভেঙে পড়ে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিতের বিমান। পাইলট-সহ মোট পাঁচ জন ওই বিমানে ছিলেন এবং সকলেরই মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এয়ারক্র্যাফ্‌ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি)। এনডিটিভি তদন্তকারীদের সূত্র উল্লেখ করে দাবি করেছে, পাইলটের শেষ মুহূর্তের কোনও ভুল সিদ্ধান্তে অজিতের বিমানের এই পরিণতি হয়ে থাকতে পারে। প্রাথমিক তদন্তের পর এমন একটি তত্ত্ব তদন্তকারী সংস্থার সামনে উঠে এসেছে।

প্রথম বার অবতরণের চেষ্টা বিফল হওয়ার পর পুণে বা নিকটবর্তী অন্য কোনও বিমানবন্দরের দিকে বিমানটি ঘুরিয়ে না নিয়ে ফের বারামতীতেই অবতরণের চেষ্টা করেছিলেন পাইলট। অনেকের মতে, দ্বিতীয় বার অবতরণের চেষ্টা করার এই সিদ্ধান্তে হিতে বিপরীত হয়ে থাকতে পারে। অভিজ্ঞ পাইলটদের কেউ কেউ দাবি করছেন, বারামতীর মতো ছোট বিমানবন্দরে দৃশ্যমানতা কম থাকলে এমন অবতরণের চেষ্টা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাঁদের মতে, দ্বিতীয় অবতরণের চেষ্টাও বিফল হতে চলেছে বলে পাইলট যখন নিশ্চিত হলেন, তখন হয়তো তিনি অন্যত্র বিমান ঘোরানোর কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু তত ক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। ফলে বিমানটিকে আর তিনি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি।

বারামতী বিমানবন্দর অনিয়ন্ত্রিত ছিল। সেখানে সব রকমের সুযোগসুবিধা ছিল না। এই ধরনের বিমানবন্দরে অবতরণের জন্য ন্যূনতম পাঁচ কিলোমিটারের দৃশ্যমানতা দরকার হয়। বিশেষ পরিস্থিতিতে তিন কিলোমিটার দৃশ্যমানতাতেও বিমান অবতরণের ঝুঁকি নিয়ে থাকেন কেউ কেউ। এ ক্ষেত্রে পাইলট তা-ই করতে চেয়েছিলেন। অজিতের বিমানটির গতিবিধি, ঘটনাক্রম এবং রানওয়ে থেকে তার দূরত্ব ও উচ্চতা খতিয়ে দেখছে এএআইবি। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার করা হয়েছে। তা-ও যাচাই করে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত তদন্ত সম্পর্কে এএআইবি সরকারি ভাবে কিছু বলেনি। তবে সূত্রের খবর, তদন্ত শেষ হলে এই সংক্রান্ত বিমান পরিচালনা নিয়ে তারা একটি গাইডলাইন জারি করতে পারে।

Ajit Pawar Plane Crash Baramati Maharashtra AAIB
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy