উত্তরপ্রদেশ থেকে হরিয়ানায় কাজের খোঁজে এসে গণধর্ষিত হলেন তরুণী। তাঁকে একটি ধাবায় নিয়ে গিয়ে পাঁচ জন মিলে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, তরুণীর এক আত্মীয় থাকেন হরিয়ানায়। সেই সূত্রে কাজের খোঁজে হরিয়ানায় পৌঁছে সেই আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর কাকাও।
পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার রাত তখন ২টো। বাস থেকে পণ্ডিত শ্রীরাম শর্মা মেট্রো স্টেশনের কাছে নামেন। সেখান থেকেই ওই আত্মীয়ের সঙ্গে তাঁদের বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল। তরুণী এবং তাঁর কাকা যখন অপেক্ষা করছিলেন, সেই সময় পাঁচ জন তাঁদের কাছে আসেন। তরুণীর আত্মীয়ও সেই সময় ওই মেট্রো স্টেশনের কাছে পৌঁছোন। অভিযোগ, তরুণীর কাকা এবং ওই আত্মীয়কে শাসানো হয়। মারধর করার পর তাড়িয়ে দেওয়া হয়। তার পর তরুণীকে পাঁচ জন মিলে একটি ধাবায় নিয়ে যান।
নির্যাতিতা জানিয়েছেন, ধাবায় নিয়ে গিয়ে পাঁচ জন মিলে তাঁকে ধর্ষণ করেন। তার পর মারধর করে টাকাপয়সা এবং ব্যাঙ্কের এটিএম কার্ড লুট করে নেওয়া হয়। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, তরুণীর উপর নির্যাতনের আগে ওই ধাবা থেকে অনলাইনে মদ কেনেন অভিযুক্তেরা। আর সেই ইউপিআই লেনদেনের সূত্র ধরেই অভিযুক্তদের শনাক্ত করে পুলিশ। তার পর পুলিশের কয়েকটি দল গঠন করে তল্লাশি শুরু হয়। ঘটনার আট ঘণ্টার মধ্যে বাহাদুরগড় থেকে চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাকি এক জনের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।