Advertisement
E-Paper

‘থাকবি আমার সঙ্গে, বিয়ে অন্যকে?’ ঘুমের ওষুধ মেশানো দুধ খাইয়ে লিভ ইন সঙ্গীর যৌনাঙ্গ কেটে নিলেন যুবতী!

হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে আক্রান্ত যুবকের বয়ান রেকর্ড করে পুলিশ। জখম হাতুড়ে ডাক্তার জানান, তাঁর এই অবস্থার জন্য দায়ী প্রেমিকা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:২৯

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

দু’বছর ধরে প্রেম করছেন। কিছু দিন হল একই ছাদের নীচে থাকছেন। তার পরেও বিয়ের জন্য অন্যত্র পাত্রী দেখছেন প্রেমিক, কানাঘুষো শুনছেন, বিয়ে নাকি হয়েও গিয়েছে! এই কথা জানার পর যুবকের যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে পালালেন লিভ ইন সঙ্গিনী। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিল্লির ওয়াজ়িরাবাদে।

আক্রান্ত যুবকের নাম বিসর্জিত। বয়স ২২ বছর। পেশায় হাতুড়ে ডাক্তার। উত্তরপ্রদেশের রামপুর জেলার ওই বাসিন্দা কাজের সূত্রে থাকেন দিল্লিতে। সেখানেই আমিনা খাতুন নামে এক যুবতীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। সম্পর্ক গড়ে ওঠে দু’জনের। বেশ কিছু দিন তাঁরা একত্রবাস করছিলেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ওয়াজ়িরাবাদে হিন্দু রাও হাসপাতালে এক যুবককে ভর্তি করানোর খবর পেয়ে খোঁজখবর করে তারা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, যুবকের যৌনাঙ্গের একাংশ কেটে গিয়েছে। কী ভাবে তা হল, তার খোঁজখবর করা হয়।

হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে আক্রান্ত যুবকের বয়ান রেকর্ড করে পুলিশ। জখম হাতুড়ে ডাক্তার জানান, তাঁর এই অবস্থার জন্য দায়ী প্রেমিকা। তিনি জানান, ২ বছর ধরে আমিনার সঙ্গে প্রেম করছেন তিনি। সব কিছুই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে ঘুমোনোর আগে সঙ্গিনী এক গ্লাস দুধ খেতে দিয়েছিলেন তাঁকে। সেটা খাওয়ার পরেই অচেতন হয়ে পড়ছিলেন। সেই সময় সব্জি কাটার ছুরি দিয়ে প্রেমিকা তাঁর যৌনাঙ্গে কোপ দেন।

পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, প্রেমিকা কোনও ভাবে জানতে পেরেছিলেন প্রেমিকের বিয়ে হয়ে গিয়েছে অথবা হতে চলেছে। কিন্তু এ নিয়ে প্রেমিক তাঁকে কিচ্ছু বলেননি। সেই রাগে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি। অভিযুক্ত যুবতীর খোঁজে তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যে মামলাও রুজু হয়েছে।

জানা যাচ্ছে, ওই যুবতী বিহারের কাটিহারের বাসিন্দা। সম্প্রতি দিল্লিতে গিয়েছিলেন। তাঁর বাড়িতেও খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ।

Crime Live In Couple Genital Mutilation
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy