Advertisement
E-Paper

ভারতীয় পরিচয়ে উত্তরপ্রদেশের স্কুলে শিক্ষকতা, পাক মহিলার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের পুলিশের

প্রাথমিক শিক্ষা দফতর একটি অন্তর্তদন্ত শুরু করেছিল। সেই তদন্তে উঠে আসে মাহিরা আখতার ওরফে ফরজ়ানা নামে এক মহিলা ভুয়ো পরিচয় দিয়ে স্কুলে শিক্ষকতা করছিলেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩০
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

পরিচয় গোপন করে উত্তরপ্রদেশের রামপুরের একটি স্কুলে শিক্ষকতা করার অভিযোগে পাকিস্তানের এক মহিলার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করল পুলিশ। ঘটনাটি রামপুরের।

প্রাথমিক শিক্ষা দফতর একটি অন্তর্তদন্ত শুরু করেছিল। সেই তদন্তে উঠে আসে মাহিরা আখতার ওরফে ফরজ়ানা নামে এক মহিলা ভুয়ো পরিচয় দিয়ে স্কুলে শিক্ষকতা করছিলেন। অন্তর্তদন্তে সত্য প্রকাশ্যে আসতেই প্রাথমিক শিক্ষা দফতর পুলিশের কাছে মাহিরার নামে অভিযোগ দায়ের করে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে মাহিরা পাকিস্তানের নাগরিক। ভুয়ো নথি ব্যবহার করে প্রায় ৪০ বছর ধরে ভারতে থাকছেন। তার পর মাহিরার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে পুলিশও।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ১৯৭৯ সালে পাকিস্তানের এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মাহিরার। তার পরই তিনি পাকিস্তানের নাগরিকত্বও নেন। কিন্তু বিয়ের কয়েক বছর পর তাঁর বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তার পর তিনি ভারতে চলে আসেন। উত্তরপ্রদেশের রামপুরে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন ১৯৮৫ সালে। অভিযোগ, ভুয়ো নথি বানিয়ে এবং নিজেকে ভারতীয় হিসাবে পরিচয় দিয়ে স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। মাহিরা পাকিস্তানের নাগরিক, এ কথা রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা দফতর জানার পরই তাঁকে প্রথমে সাসপেন্ড এবং পরে বহিষ্কারও করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনুরাগ সিংহ জানিয়েছেন, মহিলার সমস্ত নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তাঁকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে মহিলার স্বামীকেও।

Uttar Pradesh
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy