প্রেমের টানে বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করতে পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে নিয়ন্ত্রণরেখা পার হয়ে উরিতে পৌঁছেছেন যুবক। তবে নিয়ন্ত্রণরেখার কড়া নিরাপত্তা পেরিয়ে আসতে সফল হলেও শেষপর্যন্ত তিনি ভারতের সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়ে গিয়েছেন। এই ঘটনার পিছনের প্রাথমিক ভাবে প্রেমের টানকে সন্দেহ করলেও যুবক ও তাঁর বান্ধবীর গতিবিধি এখন খতিয়ে দেখছে নিরাপত্তা বাহিনী। নিয়ন্ত্রণরেখার কড়া পাহারা পার হতে ওই যুবককে কারা সাহায্য করেছে— নজরে রয়েছে সেই সব কিছু।
সেনা আধিকারিকেরা জানতে পেরেছেন, জিশান নামে ওই যুবকের বাড়ি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুজফ্ফরাবাদে। ওই এলাকা থেকে এসে নিয়ন্ত্রণরেখা পার হয়ে উরি-শিয়ালকোট অঞ্চলে এসে তিনি সেনার হাতে ধরা পড়ে গিয়েছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক নিরাপত্তা বাহিনীকে জানিয়েছেন, ইরাম বানো নামে তাঁর বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে তিনি নিয়ন্ত্রণরেখা পার হওয়ার ঝুঁকি নিয়েছিলেন। ইরাম নামে ওই যুবতী উরির তেলাই গ্রামেবসবাস করেন।
যুবকের কথায় কতটা সত্যতা রয়েছে, তা অবশ্য যাচাই করে দেখছেন তদন্তকারীরা। কী পরিস্থিতিতে তিনি নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়েছেন, তা করতে গিয়ে কার কার সহযোগিতা পেয়েছেন, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এক জন শীর্ষস্থানীয় পুলিশ আধিকারিক এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, ‘‘প্রশ্নের পর প্রাথমিক ভাবে একে প্রেমের ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে। দুই পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কও ছিল বহু আগে থেকে।’’ ওই যুবক-যুবতীর মধ্যে মোবাইলে কথাবার্তা হত বলেওজানিয়েছেন তিনি।
এ দিকে, অন্য একটি ঘটনায় সেনাবাহিনী ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ উরি সেক্টর থেকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে যাওয়ার চেষ্টা রুখে দিয়েছে। শনিবার রাতে এ ব্যাপারে বারামুলার বাসিন্দা তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিরাপত্তাবাহিনীর দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল তারা। ধৃতদের সঙ্গে জঙ্গিদের যোগাযোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্তশুরু হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)