Advertisement
E-Paper

অস্থি চিকিৎসকদের সম্মেলন

অস্থিরোগ চিকিৎসকদের উত্তর-পূর্ব সম্মেলন এ বার শিলচরে হচ্ছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টায় তার উদ্বোধন। তিন দিনের অধিবেশনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিশেষজ্ঞরা বক্তব্য রাখবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মনদীপ এস ধিঁলো, শিশির রাস্তোগি, অনিল ধল, জন মুখোপাধ্যায়, রাজীব শাহ, সম্পত ডুম্বরে পাটিল, জগদীশ গুডারু, বিকাশ আগাশে ও আরসি মির।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৩:২৯

অস্থিরোগ চিকিৎসকদের উত্তর-পূর্ব সম্মেলন এ বার শিলচরে হচ্ছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টায় তার উদ্বোধন। তিন দিনের অধিবেশনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিশেষজ্ঞরা বক্তব্য রাখবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মনদীপ এস ধিঁলো, শিশির রাস্তোগি, অনিল ধল, জন মুখোপাধ্যায়, রাজীব শাহ, সম্পত ডুম্বরে পাটিল, জগদীশ গুডারু, বিকাশ আগাশে ও আরসি মির।

সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির পক্ষে সুজিতকুমার নন্দী পুরকায়স্থ, অরুণ সিপানি ও রাজদীপ রায় জানান, এক সময় উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মাত্র ১০-১২ জন অস্থিরোগ চিকিৎসক ছিলেন। শিলচর মেডিক্যাল কলেজে স্নাতকোত্তর কোর্সে ওই বিভাগই ছিল না। ১৯৮৭ সালে নর্থ-ইস্ট অর্থোপেডিক সার্জন অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকে তখন বেছে নেওয়া হয়েছিল সম্মেলনস্থল হিসেবে। সে বছরই এখানে অস্থিরোগ চিকিৎসার স্নাতকোত্তর কোর্স খোলা হয়। এখন উত্তর-পূর্বে তাঁদের সদস্যসংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে।

শুধু সংখ্যায় নয়, চিকিৎসার উন্নতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাঁরাও এগিয়ে চলেছেন বলে দাবি করেন। শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অস্থিরোগ বিভাগের প্রধান অরূপকুমার দাওলাগুপো বলেন, ‘‘এই কলেজে কবে থেকেই হাঁটু বদলের মতো জটিল অস্ত্রোপচার হচ্ছে। হয় স্পাইন সার্জারি, অর্থোস্কোপিও।’’

এরপরও রোগীদের বাইরে যাওয়ার প্রবণতা সম্পর্কে তাঁদের বক্তব্য, এখানে কম খরচে চিকিৎসা হয় বলে রোগীর পরিবার পুরোমাত্রায় ভরসা করতে পারেন না। দ্বিতীয়ত, রাস্তাঘাটের বেহাল দশার জন্য রোগীর সংখ্যা প্রচুর বাড়ছে। সে তুলনায় অস্থিরোগের চিকিৎসক বাড়ছেন না। হাইলাকান্দি, করিমগঞ্জে কেউ নেই। উত্তর ত্রিপুরায় দু’জন থাকলেও পরিকাঠামোর অভাবে সব ধরনের অস্থি-চিকিৎসা হয় না। ফলে শিলচরের চিকিৎসকদের বরাক উপত্যকা ছাড়াও ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মণিপুরের রোগীদের দেখতে হয়। তাই স্থানীয় চিকিৎসকদের কাছে ভিড় লেগে থাকে। সে জন্যও অনেকে বাইরে চলে যান। তার উপর একাংশ লোকের বাইরে গিয়ে চিকিৎসা করানোর প্রবণতা চিরকালের। তাঁরা কলকাতায় থাকলে চেন্নাই যান। চেন্নাই বসবাস করলে লন্ডন যান।

সুজিতবাবু-রাজদীপবাবুদের দাবি, বিভিন্ন দিক থেকে পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে। আগে হাত-পা ভাঙলে ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে মানুষ হাতুড়ের কাছে যেতেন। ২০ শতাংশ রোগী আসতেন হাসপাতালে। তাঁদের আবার ওষুধ কেনার ক্ষমতা থাকত না। এখন ৮০ শতাংশের বেশি রোগী হাসপাতালে আসেন।

অস্থি চিকিৎসকদের সম্মেলনের প্রস্তুতি কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিকাশ অগ্রবাল সাংবাদিকদের ওই অনুষ্ঠানের তিন দিনের কার্যসূচি জানান। তিনি জানিয়েছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি স্নাতকোত্তর ছাত্রদের জন্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। সেরা রিসার্চ পেপার উপস্থাপনের জন্য দেওয়া হবে ডি কে তনুজা স্মৃতি স্বর্ণপদক। ওই সম্মেলনের আয়োজক সংগঠনের পক্ষে অংশুমান দত্ত, এস কে দাস, সামসুর রহমানও সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy