Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

আগরতলার একটি সংবাদপত্র অফিসে তিন কর্মীর খুনের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ওই পত্রিকার সম্পাদক সুশীল চৌধুরীকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত। আজ জেলা ও দায়রা বিচারক কৃপাঙ্কর চক্রবর্তী ওই রায় ঘোষণা করেন। মামলার রাজসাক্ষী নিয়তি ঘোষকে বেকসুর খালাস করেছে আদালত। ১৭ জুলাই সাজা ঘোষণা করা হবে। গত বছর ১৯ মে শহরের রাজপ্রাসাদ সংলগ্ন প্যালেস কম্পাউন্ডে দিনে-দুপুরে স্থানীয় সংবাদপত্র ‘গণদূত’-এর তিন কর্মী ম্যানেজার সুজিত চৌধুরী, সুজিত ভট্টাচার্য এবং বলরাম ঘোষকে খুন করা হয়েছিল।

শেষ আপডেট: ১৫ জুলাই ২০১৪ ০৩:৪৭

তিন কর্মীর খুনে সম্পাদক দোষী সাব্যস্ত
নিজস্ব সংবাদদাতা • আগরতলা

আগরতলার একটি সংবাদপত্র অফিসে তিন কর্মীর খুনের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ওই পত্রিকার সম্পাদক সুশীল চৌধুরীকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত। আজ জেলা ও দায়রা বিচারক কৃপাঙ্কর চক্রবর্তী ওই রায় ঘোষণা করেন। মামলার রাজসাক্ষী নিয়তি ঘোষকে বেকসুর খালাস করেছে আদালত। ১৭ জুলাই সাজা ঘোষণা করা হবে। গত বছর ১৯ মে শহরের রাজপ্রাসাদ সংলগ্ন প্যালেস কম্পাউন্ডে দিনে-দুপুরে স্থানীয় সংবাদপত্র ‘গণদূত’-এর তিন কর্মী ম্যানেজার সুজিত চৌধুরী, সুজিত ভট্টাচার্য এবং বলরাম ঘোষকে খুন করা হয়েছিল। নিহত বলরামবাবুর স্ত্রী নিয়তিদেবী মামলার রাজসাক্ষী হন। তাঁকেও পুলিশ গ্রেফতার করে। এ দিন, মামলার রায় শুনতে সকাল থেকেই আদালত চত্বরে ভিড় জমে। রায় ঘোষণার পরে দোষী সাব্যস্ত সুশীল চৌধুরীকে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময়, ভিড়ের মধ্যে এক জন তাকে চড় মারেন। সুশীলের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেছিলেন, বহিরাগত দু’জন দুষ্কৃতী ওই সংবাদপত্রের দফতরে হানা দিয়েছিল। তারাই তিন জনকে খুন করে। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, নিম্ন আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ-আদালতে আবেদন করা হবে।

বাবরি কাণ্ডে পরোয়ানা
সংবাদ সংস্থা • নয়াদিল্লি

বাবরি ধ্বংসের ঘটনায় দুই বিজেপি সাংসদ-সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সোমবার জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করল সিবিআইয়ের একটি বিশেষ আদালত। এর আগের শুনানিগুলিতে হাজির ছিলেন না ওই অভিযুক্তরা। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতের এই পদক্ষেপ। মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে ১৯ জুলাই।

রাজ্যের নিষেধাজ্ঞায় আলুর সঙ্কট অসমে

পশ্চিমবঙ্গ থেকে আলু না আসায়, আলুর সঙ্কটের আশঙ্কায় ভুগছেন ধুবুরির বাসিন্দারা। মূলত পশ্চিমবঙ্গের আলুর উপরেই নির্ভর করতে হয় অসমের বাসিন্দাদের। ধুপগুড়ি এবং ফালাকাটা থেকে আলু যায় অসমে। কিন্তু যেহেতু পশ্চিমবঙ্গের বাজারে আলুর দাম বেড়েছে, সরকার আলুর দর বেধে দেওয়ার পরেও দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না, তাই আলু রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এর জেরেই শুক্রবার থেকে অসমে আলু ঢোকা বন্ধ। এই ঘটনায় উদ্ভিগ্ন ধুবুরি জেলা প্রশাসনও। ধুবুরির জেলাশাসক কুমুদ কলিতা বলেন, “আমাদের হাতে আলু যতটুকু মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আরও ৩-৪ দিন চলবে। আমরা সমস্যার কথা পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে জানিয়েছি। আশা করছি সমাধানের রাস্তা বের করা যাবে।” ধুবুরি জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ধুবুরিতে প্রতি দিন ৩০ টন আলুর প্রয়োজন, যার পুরোটাই আসে পশ্চিমবঙ্গ থেকে। ধুবুরি জেলার অসম-বাংলা সীমানার ছাগলিয়া চেকপোস্টের বাণিজ্য-কর বিভাগের আধিকারিক অমরজ্যোতি ডেকা বলেন, “শুক্রবার রাত থেকে বক্সিরহাটের চেকপোস্টে তল্লাশি চালিয়ে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ অসমগামী আলুর ট্রাকগুলিকে ফিরিয়ে দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে এখন খোলাবাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২০ টাকা দরে। ধুবুরিতেও আলুর একই দাম। কিন্তু ৩-৪ দিনের মজুত শেষ হলে ধুবুরিতে আলুর দাম বাড়তে শুরু করবে।” তাঁর আশঙ্কা, ইতিমধ্যেই কালোবাজারিরা সক্রিয়। পশ্চিমবঙ্গ থেকে চোরা পথে আলু আসছে বলে ব্যবসায়ী মহল থেকে জানা গিয়েছে। ধুবুরি আলু ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য চন্দন মাহাত বলেন, “যে আলু মজুত আছে তা দিয়ে ৩-৪ দিন চালানো যাবে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে আলু না এলে সমস্যায় পড়তে হবে।”


উত্তরপ্রদেশের নতুন রাজ্যপাল রাম নায়েককে অভ্যর্থনা। সোমবার মুম্বইয়ে বিজেপির কার্যালয়ে। ছবি: পিটিআই

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy