Advertisement
E-Paper

শুরু হল মাধ্যমিক, কেমন হবে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি? শেয়ার করলেন শিক্ষকরা

আজ থেকে মাধ্যমিক। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় নিজের সবচেয়ে ভালটাই দেওয়ার চেষ্টা করবে সকলে। পরীক্ষায় কোন বিষয়ে, কী ভাবে উত্তর করা উচিত, সেই নিয়ে জরুরি কিছু কথা বললেন বিশিষ্ট শিক্ষকরা। শুনলেন সৌরজিৎ দাসআজ থেকে মাধ্যমিক। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় নিজের সবচেয়ে ভালটাই দেওয়ার চেষ্টা করবে সকলে। পরীক্ষায় কোন বিষয়ে, কী ভাবে উত্তর করা উচিত, সেই নিয়ে জরুরি কিছু কথা বললেন বিশিষ্ট শিক্ষকরা।

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০০:০০

বাংলা

১ নম্বরের ‘মাল্টিপল চয়েস’ প্রশ্নের ঠিক উত্তরটি বড় ও স্পষ্ট করে লিখবে, নম্বর (ক বা খ বা গ বা ঘ) সহ। ২ নম্বরের প্রশ্নগুলির উত্তর সংক্ষেপে দিলেই চলবে। পাঠ্য ও সহায়ক পাঠের বড় প্রশ্নগুলির (মান ৩/৪/৫) মধ্যে যেগুলিতে একাধিক প্রশ্ন রয়েছে, সেগুলির প্রতিটি অংশ-প্রশ্নের উত্তর আলাদা আলাদা অনুচ্ছেদে লিখতে হবে। এবং প্রতি ক্ষেত্রে উত্তরের আগে ‘l’ বা ‘n’ চিহ্ন দেবে। বঙ্গানুবাদে প্রতিটি ইংরেজি বাক্যের অনুবাদ আলাদা আলাদা অনুচ্ছেদে লিখবে এবং সেখানেও আগে উল্লিখিত চিহ্নগুলি দেবে। সংলাপ রচনায় আলোচনার সূত্র ধরেই সংলাপকারীরা মূল বিষয়ে ঢুকবে। প্রতিবেদনের শিরোনাম দিতে হবে এবং লেখায় নিজের মতামত দিতে যেও না। প্রবন্ধ রচনা যত বেশি সংখ্যক অনুচ্ছেদে ভাগ করে লিখতে পারো, লিখবে এবং সেগুলির প্রত্যেকটির নামকরণ করবে। প্রথমটি যেমন ‘ভূমিকা’, শেষটি ‘উপসংহার’। ১ ও ২ নম্বরের প্রশ্নে (মান ৩৬) ব্যয় করবে ৬০ মিনিট। বাকি প্রশ্নগুলির (মান ৫৪) উত্তর লিখবে ১০৮ মিনিটে। সে ক্ষেত্রে রিভিশনের জন্য কিছুটা সময় পাবে। শব্দসীমা মেনে উত্তর লিখবে। সব সময় প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী উত্তর করবে। বাড়তি কথা লেখার প্রয়োজন নেই। আর শেষে বলব, হাতের লেখা স্পষ্ট রাখো। খাতায় যেন বেশি কাটাকুটি না থাকে।

অপূর্ব কর

হিন্দু স্কুল

ইংরেজি

প্রথমেই বলি, ইংরেজিতে কিন্তু খুব ভাল ভাবে নম্বর তোলা যায়। আশা করি পড়াশোনা করে তৈরি হয়ে আছ সকলেই। শুধু জেনে নেব কোন কোন ক্ষেত্রে একটু সতর্কতা অবলম্বন করলে নম্বর তুলতে অসুবিধে হবে না।

• ইংরেজির প্রশ্নপত্রে কিন্তু প্রশ্নের পরেই থাকে উত্তর লেখার জায়গা। চেষ্টা করবে উত্তরগুলো ওই নির্দিষ্ট স্থানেই লিখে ফেলতে। যদি লিখতে গিয়ে কিছু ভুল হয়ে যায়, তা হলে পরিষ্কার করে কেটে পাতার ওপরে বা নীচের দিকে কোনও ফাঁকা জায়গায় উত্তরটি আবার লেখা যেতে পারে। যদিও কাটাকুটিটা না হওয়াই বাঞ্ছনীয়।

• প্রশ্নে মাল্টিপল চয়েস প্রশ্ন থাকবে অনেকগুলি। ওখানে সতর্ক হয়ে তুলে নিতেই হবে পুরো নম্বর।

• True-False জাতীয় প্রশ্নের ক্ষেত্রে ‘true’ না ‘false’ ঠিক ভাবে নির্ণয় করতে হবে। একমাত্র তা হলেই supporting statementটিকে দেখা হয়, নচেৎ নয়।

• ব্যাকরণ অংশে ভার্বের ফর্ম, পার্সন, নাম্বার, জেন্ডার বিষয়ে সব ক’টি বাক্যেই বা শূন্যস্থান পূরণের সময় অতি সতর্কতা অবলম্বন করবে। এই অংশে উত্তর ঠিক মানেই পুরো নম্বর আর একটু ভুল হলেই কেলেঙ্কারি!

• ‘ফ্রেজ়াল ভার্ব’ বা ‘গ্রুপ ভার্ব’-এর ‘টেন্স’ হবে প্রশ্নের ‘ভার্ব’টির ‘টেন্স’ অনুসারে।

• রাইটিং স্কিলের ক্ষেত্রে প্রশ্নে যে যে পয়েন্টগুলি দেওয়া আছে সেগুলি যেন সব ক’টিই থাকে লেখায়।

অরিজিৎ রায়

কসবা চিত্তরঞ্জন হাইস্কুল

ভূগোল

পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে থাকবে পাঁচটি বিভাগ। উত্তেজনার বশে কোনও প্রশ্ন পুরোটা না পড়েই ছেড়ে দিও না। টাইম ম্যানেজমেন্ট এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিভাগ ‘চ’-এ মানচিত্রে চিহ্নিতকরণ থাকে। পারলে খাতার প্রথম পাতায় নাম, রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি লেখার পরে পাতা উল্টেই যে পাতা পাবে, তাতেই ভারতের রেখা মানচিত্রটা স্টিচ করে দিও (স্টিচটা পরেও করতে পারো)। মানচিত্রে ইনডেক্স, ঠিক স্থান আর চিহ্ন-সহ নাম উল্লেখ করা চাই।

বিভাগ ‘ক’-এ বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন আসবে। বিভাগ উল্লেখ করার পরে প্রশ্নের নম্বর ও ঠিক দাগ নম্বর দিয়ে কেবল উপযুক্ত উত্তরটি লিখবে। যদি কোনও প্রশ্নের উত্তর মনে না পড়ে, প্রশ্নের নম্বর দিয়ে জায়গা ছেড়ে চলে যাও। কিছুতেই আগে পরে করে উত্তর দেবে না। এই অংশ শেষ করে দ্বিতীয় দাগ নম্বরের উত্তর শুরু করার আগে রুল টেনে বুঝিয়ে দাও যে, ক বিভাগের প্রথম প্রশ্নের সব দাগ নম্বরের উত্তর এখানেই আছে।

বিভাগ ‘খ’ থেকে শুদ্ধ-অশুদ্ধ, শূন্যস্থান পূরণ জাতীয় প্রশ্ন থাকে। পুরো বাক্যে উত্তর না দিলেও প্রশ্নের ঠিক নম্বর এবং উত্তরটিই লিখবে। ‘শুদ্ধ’ বা ‘অশুদ্ধ’ চাইলে ‘সত্য’ ‘মিথ্যা’ লিখো না।

বিভাগ গ (২ নম্বরের উত্তর ৬টি)-এর জন্য বড়জোর ২৫ থেকে ৩০ মিনিট হাতে রেখো। প্রয়োজনে ছবি দিও।

বিভাগ ‘ঘ’ থেকে চারটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। নম্বর আছে ৩ করে। খুব বেশি হলে ৮ মিনিট পাবে এক-একটা উত্তর দেওয়ার জন্য। এই ধরনের উত্তরে ছবির উপস্থিতি জরুরি।

আসি বড় প্রশ্নের কথায়। বিভাগ ‘ঙ’ থেকে চারটি প্রশ্ন। প্রতিটির মান পাঁচ করে। এই ধরনের উত্তরে কিন্তু ছবি আঁকতেই হয়। প্রাকৃতিক শক্তির কাজ, বায়ুমণ্ডল বা বারিমণ্ডল থেকে প্রশ্ন বাছার চেষ্টা কোরো। আঞ্চলিক এবং অর্থনৈতিক অংশের উত্তর সময় নিয়ে নির্বাচন করবে। যদি তিনটি বা চারটি কারণ জানতে চায়, সেগুলোই লিখবে, যেগুলোর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। একই মানের উত্তরের জন্য মোটামুটি একই রকম দৈর্ঘ্যের উত্তর লিখো। ধারাবাহিকতা দেখলে পরীক্ষকের মনে ইতিবাচক ধারণা হয়।

শেষ কয়েক মিনিট হাতে রেখো রিভিশন,আন্ডারলাইন ইত্যাদির জন্য।

অনির্বাণ ভট্টাচার্য

মিত্র ইন্সটিটিউশন (মেন)

ভৌত বিজ্ঞান

মাধ্যমিক পরীক্ষা তোমাদের জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা, এটা ঠিক। কিন্তু আমার বিশ্বাস পরীক্ষা দিতে বসে তোমরা দেখবে এটা তোমার স্কুলের আর পাঁচটা পরীক্ষার মতোই। সুতরাং ভয়ের কিছু নেই। শুধু কয়েকটা বিষয়ে একটু সতর্ক থেকো। প্রথমত, অনাবশ্যক বেশি লেখার প্রবণতা ত্যাগ করবে। গ্রুপ বি, যেখানে অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর লিখতে হয়, সেই উত্তরগুলো একটিমাত্র শব্দে বা একটিমাত্র বাক্যে লিখে ফেলার চেষ্টা করবে। গ্রুপ সি-এর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর তিনটি বা চারটি বাক্যে সম্পূর্ণ করবে।

লেখচিত্র আঁকার ক্ষেত্রে স্বাধীন চলরাশিটিকে অনুভূমিক অক্ষে আঁকবে। আলোর রশ্মিচিত্র আঁকার ক্ষেত্রে তিরচিহ্ন দিতেই হবে। উত্তল বা অবতল দর্পণ বোঝানোর জন্য অমসৃণ তলটিকে অবশ্যই চিহ্নিত করবে। প্রতিবিম্বের প্রকৃতি বোঝানোর জন্য প্রতিবিম্ব সদ্ না অসদ্, আকারে বস্তু অপেক্ষা বড় না ছোট, এবং সমশীর্ষ না অবশীর্ষ সেটা উল্লেখ করবে।

কোনও রাসায়নিক বিক্রিয়া লেখার সময় দৃশ্যমান পরিবর্তন হলে অবশ্যই তার উল্লেখ করবে। অ্যাসিড ও গ্যাস প্রস্তুতির নীতি লেখার ক্ষেত্রে শর্তের উল্লেখ করতেই হবে। বিক্রিয়ায় গ্যাস উৎপন্ন হলে সমীকরণে ‘↑’ চিহ্ন দিয়ে বোঝাতে হবে।

উত্তর লেখার পরে মনে সংশয় থাকলেও লেখা উত্তর কেটে দেবে না। যদি ঠিক উত্তরটা মাথায় আসে, তখনই কেবল পুরনো উত্তরটা কেটে নতুন উত্তর লিখবে।

আর একটা কথা মনে রেখো। প্রশ্নপত্রে তোমরা যে বিকল্প প্রশ্নগুলো পাবে সেগুলো সবই অভ্যন্তরীণ, অর্থাৎ একই অধ্যায় থেকেই বিকল্প প্রশ্নগুলো দেওয়া হবে। সুতরাং কোনও অধ্যায় বাদ দেওয়া চলবে না।

অনিন্দ্য দে

হিন্দু স্কুল

জীবন বিজ্ঞান

• জীবন বিজ্ঞানে ১৫টা এমসিকিউ থাকে। এর উত্তর নির্বাচনের সময় উত্তরের অপশনগুলো ভাল করে পড়বে।

• স্তম্ভ মেলানোর প্রশ্নে উভয় স্তম্ভের ক্রমিক সংখ্যা উল্লেখ করে ঠিক জোড়টি লিখবে

• ছবি আঁকার প্রশ্নে মানুষের চোখের লম্বচ্ছেদের গঠন এবং মাইটোটিক ক্যারিওকাইনেসিসের দশাগুলির আঁকা প্র্যাকটিস করে যাবে

• প্রত্যেক প্রশ্নের যে রকম উপবিভাগ থাকবে, সে ভাবেই আলাদা অনুচ্ছেদে লিখবে

• ৩ নম্বরের প্রশ্নে প্রয়োজনে ছবি এঁকে উত্তর করবে

• যে কোনও বড় প্রশ্ন ছোট ছোট পয়েন্ট করে লিখবে। যেমন, সুন্দরবনের পরিবেশগত সমস্যাগুলি কী কী? এ ক্ষেত্রে উত্তর লিখবে এই ভাবে—

ক) ভৌগোলিক কারণ: অ) নদীর অভিমুখ পাল্টে যাওয়া

আ) নদীর বহনক্ষমতা হ্রাস

খ) পরিবেশগত কারণ: অ) তৃণভোজী প্রাণীর সংখ্যা হ্রাস

আ) খাদ্য-খাদক সম্পর্কে বিঘ্ন

গ) মনুষ্যসৃষ্ট কারণ: অ) পেস্টিসাইড ও রাসায়নিক সারের মাটির জলে মিশে যাওয়া

আ) জৈব বিবর্ধন

ই) জৈব বৈচিত্রের ধ্বংস সাধন।

• ‘বলতে কী বোঝ’ বা ‘কাকে বলে’ জাতীয় প্রশ্নে সংজ্ঞার সঙ্গে উদাহরণ দেবে

• টীকা জাতীয় প্রশ্নে উত্তরটিকে সংক্ষেপে বিশ্লেষণ করবে

• বংশগতি অধ্যায়ের সংকরায়ন প্রশ্নের উত্তরে অতি অবশ্যই উল্লেখ করবে: প্রকট-প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য, ফিনোটাইপ-জিনোটাইপ, অপত্যের জনু (F1 বা F2 জনু)

• পার্থক্য বিষয়ক প্রশ্নে বিষয় উল্লেখ করে পার্থক্যগুলি লিখবে।

আশিস ভৌমিক

হুগলি ব্রাঞ্চ (গভর্নমেন্ট) স্কুল

অঙ্ক

প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পরে পনেরো মিনিটে প্রশ্নপত্র পড়ার সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে তোমাকে প্রশ্ন নির্বাচন করতে হবে। নির্দেশ অনুসারে খাতার প্রথমে ১, ২ এবং ৩-এর দাগের প্রশ্নের উত্তর করতে হবে। বাকি প্রশ্নের উত্তরের জন্য কোনও ক্রমের নির্দেশ নেই। এর পর প্রথম এক ঘণ্টায় সেই সব প্রশ্নের উত্তর করো যেগুলোর উত্তর সম্পর্কে তুমি নিশ্চিত (উপপাদ্য, সম্পাদ্য, বীজগণিত, যেটা তোমার জোরের জায়গা)। চেষ্টা করবে ওই এক ঘণ্টায় ৩৫-৪০ নম্বরের উত্তর করে ফেলতে, যেহেতু পরীক্ষায় টাইম ম্যানেজমেন্টটা গুরুত্বপূর্ণ। খাতা যতটা সম্ভব পরিচ্ছন্ন রাখবে। হল-এ অন্যান্যদের থেকে কিছু জানতে চাইবে না। মনে করবে তুমি যা করছ, সেটাই ঠিক। কোনও রাফওয়ার্ক করতে হলে খাতার ডান দিকে মার্জিনে সেটা করে দেখাবে। রিভিশনের কিছুটা সময় রাখবে। পরীক্ষার আগের দিন কোনও নতুন বিষয় পড়বে না। যা এত দিন পড়েছ, সেটাই চোখ বুলিয়ে নেবে। আর রাতে বেশি দেরি করে শোবে না।

শৈবাল মিত্র

মিত্র ইনস্টিটিউশন (মেন)

ইতিহাস

যে টেক্সট বইটা তোমরা পড়েছ, সেখানে নিশ্চয়ই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলি (দিন, ক্ষণ, তারিখ, যুদ্ধ, ব্যক্তির নাম ইত্যাদি) দাগ দিয়ে রেখেছ। পরীক্ষার আগে সেগুলি চোখ বুলিয়ে নিও। কোথাও যদি অবজেকটিভ প্রশ্ন একত্রিত করে লিখে রেখে থাকো, সেগুলোও দেখে নিও। একই ভাবে বড় প্রশ্নের জন্য নিজেদের লেখাগুলি এক বার অন্তত চোখ বুলিয়ে নিও।

হল-এ গিয়ে প্রথমেই খাতার উপরে লিখবে ‘ক’ বিভাগ, ১) নম্বর প্রশ্নের উত্তর। বা কারও যদি ৩) নম্বর প্রশ্ন দিয়ে শুরু করার ইচ্ছে থাকে, তা-ও করতে পারে। কিন্তু যেটাই করুক, সেটা পুরো শেষ হওয়ার পরেই পরের প্রশ্নের উত্তরে যেতে হবে। কিছুটা ১)-এর প্রশ্নোত্তর, কিছুটা ২) ও কিছুটা ৩)-এর, এ ভাবে মিলিয়ে-মিশিয়ে করলে শিক্ষকদের নম্বর দিতে অসুবিধে হয়। তাঁরা বিরক্ত হন। লেখার সঙ্গে সঙ্গে মেন পয়েন্টগুলো ওই একই পেন দিয়ে দাগ দিয়ে দিতে হবে। গ্রুপ অনুযায়ী সময় ভাগ করতে হবে। কুড়ি মিনিটে প্রবন্ধ আকারের প্রশ্ন লিখবে, আর টীকা লিখবে সাত থেকে আট মিনিটে। মানচিত্রের বিষয়ে যদি খুব আত্মবিশ্বাসী না হও, একটা, যেটা করতেই হবে, শুধু সেটাই করো। দু’নম্বরের প্রশ্ন দুটি বা তিনটি বাক্যের বেশি একেবারেই লিখবে না। যত পাতা নিচ্ছ, সব নম্বর করে রাখবে। শেষ হওয়ার পনেরো মিনিট আগে খাতা গুছিয়ে নিয়ে বেঁধে ফেলবে, যাতে কোনও অতিরিক্ত কাগজ পড়ে না থাকে। আর প্রত্যেকটা উত্তরের শেষে এন্ডিং লাইন টানতে হবে। যারা বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রী তাদের বলব, তারিখ বা সাল ইংরেজিতে লিখবে। কোথাও ইংরেজি কোথাও বাংলা এ ভাবে না লেখাই ভাল। অনেক সময় তোমাদেরই গুলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা।

ঊর্মি চৌধুরী

পাঠ ভবন, কলকাতা

Exam Madhyamik Preparation
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy