শীতসন্ধ্যায় মুচমুচে, সুস্বাদু, ঝাল ঝাল মাংসের কবাব। সঙ্গে ধনেপাতা বা পুদিনার চাটনি। এটুকু বর্ণনা জিভে জল আনার জন্য যথেষ্ট। তবে সকলের নয়। যাঁরা নিরামিশাষী বা ভিগান অথবা মাংসপ্রেমী নন, তাঁরা কবাব কতটা নিয়ে আগ্রহী হবেন, সন্দেহ আছে। তবে কবাব মানেই কি কেবল মাংস? রান্নার ধরনেই তো কবাবের আসল মজা লুকিয়ে। গ্রিল বা রোস্ট করা, অথবা মাটির উনুনে সেঁকে রান্না করা খাবারের স্বাদ থেকে বঞ্চিত থাকবেন কেন নিরামিশাষীরা? আর তাই মাংসের বদলে কয়েকটি সব্জির কবাবের সন্ধান দেওয়া হল, যা আপনি নিজে বাড়িতে বানিয়ে খেতে ও খাওয়াতে পারবেন।
রকমারি সব্জির কবাব—
১. দইয়ের কবাব: বাইরে মুচমুচে, ভিতরে নরম। থকথকে দই দিয়ে বানানো এই কবাব ডায়েটেও রাখা হয়। ভাজা বেসন, কর্নফ্লাওয়ার, পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা, আদা, ধনে দিয়ে দই ফেটিয়ে কবাবের আকারে ঘিয়ে রোস্ট করা হয়।
দই দিয়ে বানিয়ে নিন কবাব। ছবি: সংগৃহীত।
২. বিট-গাজরের কবাব: বিট ও গাজর গ্রেট করে চাল ও ভুট্টার গুঁড়ো এবং মশলার সঙ্গে মিশিয়ে ঘিয়ে হালকা ভেজে এই কবাব বানানো হয়। এই খাবারটিও ওজন হ্রাসের জন্য উপযুক্ত।
৩. রাঙাআলু-ভুট্টার কবাব: রাঙাআলুর দৌলতে এই কবাব হালকা মিষ্টি হয়। এই কবাব বানানোর জন্য রাঙাআলুকে অল্প পুড়িয়ে নিতে হবে, ভুট্টার দানা হালকা ভাপিয়ে নিতে হবে। তার পর মশলা দিয়ে সব মিশিয়ে কবাবের আকারে ঘিয়ে ভাজতে হবে।
৪. লাউয়ের কবাব: লাউ গ্রেট করে চালের গুঁড়ো ও বেসনে মিশিয়ে নিন। পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কার মতো আরও কিছু মশলা যোগ করে মিশ্রণ বানিয়ে ঘিয়ে রোস্ট করে কবাব বানিয়ে নিন।
৫. পনির-ওট্সের কবাব: পনির, আলু, রোস্ট করা ওট্সের গুঁড়ো হাতে পিষে নিতে হবে। সেই মিশ্রণকে কবাবের আকার দিয়ে ঘিয়ে ভেজে নিতে হবে। বাইরে মুচমুচে, ভিতরে নরম এই খাবার প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে পারে।
৬. ফুলকপি-কড়াইশুঁটির কবাব: কপির ফুল ও কড়াইশুঁটি হালকা ভাপিয়ে নিন। তার পর হালকা করে পিষে নিয়ে তার মধ্যে বেসন মিশিয়ে কবাব হিসেবে বানানো যেতে পারে।
৭. কাবলি ছোলা-মাশরুমের কবাব: কাবলি ছোলা সেদ্ধ করে পিষে নিন। অন্য দিকে মাশরুম হালকা ভেজে নিন। দু’টিকে একসঙ্গে মিশিয়ে অল্প করে ঘিয়ে রোস্ট করে নিলেই কবাব প্রস্তুত।