বাজার থেকে জলে না ধুয়ে ফ্রিজে তুলে রাখেন তো? রান্নার আগে ধুয়ে নেন তো? মোটা টিস্যুতে মুড়িয়ে ফ্রিজে রাখেন তো? আরও রকমারি টোটকা মানেন তো? তার পরও ৪-৫ দিনের বেশি টাটকা থাকে না পুদিনাপাতা বা ধনেপাতা? পাতা ও ডাঁটি হলুদ হয়ে, রস শুকিয়ে এমন অবস্থা হয়ে দাঁড়ায়, যা ব্যবহারের যোগ্য থাকে না! নানা কৌশল প্রয়োগ করেও যদি বেশি দিন সতেজ রাখতে না পারেন, তা হলে এই ধরনের পাতাকে সংরক্ষণ করার জন্য অন্য এক নয়া উপায় অবলম্বন করতে পারেন। বিশেষ এক কৌটোর সংযোজন হোক বাড়িতে।
প্লাস্টিকের এই লম্বাটে কৌটো ব্যবহার করবেন কী ভাবে? ছবি: সংগৃহীত।
অনলাইনে অনেকেই প্লাস্টিকের এক লম্বাটে কৌটো কিনছেন। তাতে আগের তুলনায় বেশ কিছু দিন টাটকা থাকছে পুদিনা ও ধনের মতো পাতাগুলি। কী ভাবে কাজ করবে এই কৌটোটি?
এক দিক স্বচ্ছ কৌটোর ঢাকনা খুলে ডাঁটিসুদ্ধ ভরে রাখতে হবে। স্বচ্ছ বলে যে কোনও সময় ভেষজ এবং শাকসব্জির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন আপনি। নীচে একটি বোতাম রাখা হয়েছে, যা খুলে জল ভরা যাবে খানিকটা। সেই জলের সংস্পর্শেই টাটকা থাকবে ভেষজগুলি। এই ভেষজ সংরক্ষণের কৌটো আর্দ্রতা বজায় রাখতে পারে এবং সব্জির গুণমান ভাল থাকে তাই। ধনেপাতা, পুদিনা, পার্সলে, রোজ়মেরি, ডিলের মতো ভেষজ কিনে আনার পর এক বার ধুয়ে শুকিয়ে নিন। তার পর কৌটোর ভিতরে রাখুন। বোতামের মতো ছোট্ট ঢাকনাটি খুলে জল ভরে দিন। মনে রাখবেন, পুরনো জল খালি করে টাটকা জল ভরতে হবে প্রতি ৩-৪ দিন অন্তর। তা হলে ২ সপ্তাহের বেশিও টাটকা থাকতে পারে এই পাতাগুলি।