ডেঙ্গি! মশাবাহিত এই রোগটির নাম শুনলেই যেন চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রতি বছর বর্ষাকালের শুরুর সময়টায় এই রোগ মারাত্মকআকার ধারণ করে। অন্তত পরিসংখ্যান তো সেই কথাই  বলছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের একটি তথ্য অনুযায়ী, কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় ইতিমধ্যেই প্রায় ৩৫০০ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। সংখ্যাটি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ শেষ চার সপ্তাহ ধরে বেশ ভালই বৃষ্টিপাত হয়েছে পশ্চিমবাংলায়। ফলে বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় জমে রয়েছে জল। ফলত, মশার লার্ভা জন্মানোর পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডেঙ্গির মূল কারণ — এডিস ইজিপ্টাই মশা সাধারণত পরিষ্কার জলেই জন্ম নেয়। খোলা পড়ে থাকা জলের পাত্র, ফ্রিজের প্লেট, বাড়ির পাশে জমে থাকা জল ইত্যাদি জায়গাতেই এই মশারা ডিম পারে এবং বেড়ে ওঠে। ফলে এই ধরনের মশা মানুষের কাছাকাছিই থাকে। 

সব থেকে বেশি ভয়ের কারণ হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া। ভারী বৃষ্টিপাত হলে কোনও এক স্থানে বেশিক্ষণ জল জমে থাকতে পারে না এবং মশার লার্ভাও ধুয়ে যায়। কিন্তু শেষ কয়েক সপ্তাহ ধরে সেরকম ভাবে বৃষ্টি না হওয়ায় জল এক জায়গায় জমেই রয়েছে। আর এই জল এডিস মশার বংশবিস্তারের জন্য আদর্শ।

সম্প্রতি গোদরেজ হিট, সত্যি ঘটনা অবলমম্বনেএকটি ভিডিও তৈরি করেছে। যেখানে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত এক ব্যক্তি অসহায়ভাবে প্লেটলেটের প্রয়োজনের কথা বলছেন। পাশাপাশি সেই ভিডিওতে এও বলা হয়েছে যে গোদরেজ হিট-এর হেল্পলাইন ২০১৮-তে পাঁচ জনের জীবন বাঁচাতে সক্ষম হয়েছে।

ইতিমধ্যেই ডেঙ্গির ভাইরাস চারিদিকে মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। পরিসংখ্যান বলেছে, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে সব মিলিয়ে মোট ১,২৯,১৬৬টি ডেঙ্গি আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে এবং ২৪৫টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৮ সালে ডেঙ্গি আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছিল মাত্র ৩,৪৯০টি।

গোদরেজ হিট-এর প্রকাশ করা ভিডিওটির শেষে একটি হেল্পলাইন নম্বরও দেওয়া রয়েছে যেখানে ফোন করলে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিরা প্লেটলেট পেয়ে যাবেন। এই মুহূর্তে বর্ষার কারণে পশ্চিমবঙ্গের যা অবস্থা, তাতে এই ধরনের উদ্যোগ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

প্লেটলেট গ্রহণ করতে কিংবা দান করতে, ফোন করুন এই নম্বরে - ৭৮৭৮৭৮২০২০২০

ক্লিক করুন রেজিস্ট্রেশনের জন্য।