গরমকালে মাথার ত্বকে ঘাম হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক। কিন্তু বিপত্তি ঘটে যখন এই ঘাম দীর্ঘক্ষণ চুলে বসে থাকে। ঘামের লবনাক্ত উপাদান চুলের গোড়ায় জমে গোড়া নরম করে দেয়। সেই সঙ্গে মাথার ত্বকে ব্যাক্টেরিয়া বা ছত্রাকের সংক্রমণের অনুকূল পরিবেশও তৈরি করে। যার ফলে চুল পড়ে। সমস্যা সমাধানে তিনটি উপায় প্রয়োগ করে দেখতে পারেন।
১. সঠিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার রাখা
ঘাম বসা চুলের প্রধান শত্রু হল ময়লা। ঘামলে মাথার ত্বকের রোমকূপ বন্ধ হয়ে যায়। তার সঙ্গে বাইরের ধুলোবালি ময়লাও ভিতরে জমতে থাকে। তাই বাইরে থেকে ফেরার পর চুল শুকিয়ে দ্রুত ধুয়ে ফেলা জরুরি। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন মাইল্ড বা সালফেট-মুক্ত শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন। এতে মাথার ত্বকের যে প্রাকৃতিক তেল, তা বজায় থাকবে এবং ঘামের কারণে জমে থাকা ময়লা দূর হবে।
২. ঘাম রোধে সঠিক হেয়ার কেয়ার রুটিন
চুলের স্টাইলিং ও প্রসাধনী নির্বাচনে সচেতন হতে হবে। বাইরে বেরোলে চুল খুব টাইট করে না বেঁধে ঢিলেঢালাভাবে চুল বাঁধুন, যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে। এছাড়া, ঘামলে সঙ্গে সঙ্গে চিরুনি ব্যবহার করবেন না; কারণ ভেজা অবস্থায় চুলের গোড়া সবচেয়ে নরম থাকে। চুল শুকোনোর জন্য ড্রায়ার ব্যবহার না করে পাখার হাওয়ায় প্রাকৃতিকভাবে শুকোনোই শ্রেয়।
৩. প্রাকৃতিক টোনার ও মাস্কের ব্যবহার
ঘামলে মাথার ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য নষ্ট হয়। ঠিক করতে চাইলে অ্যাপল সাইডার ভিনেগার বা লেবুর রস মেশানো জল দিয়ে চুল ধুতে পারেন। এছাড়া সপ্তাহে একদিন টক দই ও মেথির মাস্ক ব্যবহার করলে মাথার ত্বক ঠান্ডা থাকে এবং ঘামজনিত ইনফেকশন দূর হয়। এটি চুলের গোড়া শক্ত করতে এবং নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।