Advertisement
E-Paper

বয়সের আগেই বলিরেখা!সকালের পানীয় বিপদ ডেকে আনছে না তো? চুমুক দেওয়ার আগে জেনে নিন

আয়েস করে চা বা কফির কাপটি নিয়ে বসছেন? সেই পানীয় আপনার ত্বকের বারোটা বাজাচ্ছে কি? অকাল বার্ধক্য রুখতে হলে কোনটি ভাল, কোনটি খাওয়া যায়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:২৫
পানীয়ই নিঃশব্দে ত্বকের ক্ষতি করছে কি?

পানীয়ই নিঃশব্দে ত্বকের ক্ষতি করছে কি? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

ভোরে হাতের কাছে এক কাপ গরম চা বা কফির বিকল্প হয় না। অফিসে কাজের চাপে ‘হিরো’ হয়ে ওঠে কফি। ক্লান্তি, মাথা ব্যথা, এক কাপ ঘন দুধের চা যেন প্রাণ জুড়িয়ে দেয়।

কারও সকাল শুরু হয় চা দিয়ে, কেউ বেছে নেন কফি। কারও পছন্দ দুধ-চিনি দেওয়া গাঢ় চা। কেউ আবার গ্রিন টি-তে চুমুক দিয়েই স্বস্তি খুঁজে নেন। সকালের এই যে এত রকম পানীয়, তারই মধ্যে কোনওটি নিঃশব্দে বার্ধক্যকে এগিয়ে দিচ্ছে কি? বয়সের আগেই বলিরেখা পড়া, চামড়া খসখসে হয়ে যাওয়ার নেপথ্য কারণ আপনার পছন্দের পানীয়টি নয়তো?

কফির মাসুল

শুধু সকালের ঘুম ভাঙানো নয়, দিনভর কাজের ফাঁকে দ্রুত শক্তি জোগায় কফি। এতে থাকা ক্যাফিনের জন্যই বেশ তরতাজাও লাগে। কিন্তু তার মাসুল বাবদ বড় অঙ্কের সুদ গুণতে হতে পারে। বিশেষত সকালে খালিপেটে দুধ-চিনি দেওয়া কফি খাওয়ার অভ্যাস অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির কাজে সমস্যা করতে পারে। সমস্যা বাড়বে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাপের পর কাপ কফি খাওয়া শুরু হলে। অতিরিক্ত কফি খেলে কর্টিসলের মতো স্ট্রেস হরমোনের মাত্রাও বেড়ে যেতে পারে। তার প্রভাব পড়ে ত্বকেও। ফল স্বরূপ মুখ তৈলাক্ত হতে পারে, ব্রণের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

চা না চিনি?

দুধ-চিনি ছাড়া চা খাওয়ার অভ্যাস একরকম। কিন্তু চায়ে চিনি মিশলেই বিপদ! বিশেষত ঘন দুধ, চা, চিনি একসঙ্গে ফুটিয়ে সকাল শুরু করলেই হতে পারে সমস্যার সূত্রপাত। খালিপেটে চিনি দিয়ে চা-খাওয়ার অভ্যাস অম্বল, বদহজমের কারণ হতে পারে। চিনি মানেই বাড়তি ক্যালোরি। তা ছাড়া, দুধ এবং চা একসঙ্গে ফুটিয়ে খাওয়া মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। পেট এবং লিভারে প্রভাব পড়লে, তার ছাপ মুখমণ্ডল পর্যন্ত এসে পৌঁছোতে বাধ্য। বিশেষত অতিরিক্ত চিনি ত্বকের সুরক্ষাবর্ম ভেঙে দিতে পারে। তার ফলে সময়ের আগে ত্বকের কোলাজেন নামক প্রোটিন নষ্ট হতে পারে। ত্বক রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। আর ত্বকের সুরক্ষাবর্ম ভেঙে পড়লে বার্ধক্য আগাম হানা দিতে পারেই।

গ্রিন টি

ঘন দুধ চায়ে চুমুক দেওয়ার মতো আয়েস গ্রিন টিতে নেই বটে, তবে এই পানীয়ে রয়েছে ইজিসিজি নামে এমন এক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট যা ত্বকের সুরক্ষাবর্ম হয়ে উঠতে পারে। ত্বকের ক্ষতি করে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সেই স্ট্রেস থেকে ত্বককে এবং কোষগুলিকে বাঁচায়। অকাল বার্ধক্য রোধ করে।

বেছে নেবেন কোনটি?

ত্বকের ক্ষতি নয় বরং ত্বক ভাল রাখতেই সাহায্য করে গ্রিন টি। অন্য দিকে, দুধ চিনি দেওয়া চা বা কফি দু’টি কিন্তু উপকারী নয়। চিনি শুধু ক্যালোরি বাড়ায় না ত্বক বান্ধবও নয় এটি। তবে চিনি ছাড়া চা বা কফি পরিমিত পান করাই যেতে পারে। কফির গুঁড়ো ত্বক বান্ধব। ফলে চিনি ছাড়া দিনে বার দুই কফি খাওয়া ক্ষতিকর হবে না। সবচেয়ে ভাল হয় কালো কফি খেলে।

Ageing Skin Care Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy