সিনেমা দেখা, অফিসের চাপ কিংবা অনিদ্রা— রাত জাগার কারণ যা-ই হোক চোখের নীচে কালো দাগছোপ পড়ে যায়। রাত জাগার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে শরীরে। তবে বাদ যায় না ত্বকও। চোখের নীচের পুরু কালির দাগের নেপথ্যে অনেক কারণই আছে। গরমের সময়ে রোদের তেজে চোখের নীচে কালি পড়ে বেশি। এই পোড়া দাগ সহজে ওঠে না। ময়েশ্চারাইজ়ার বা দামি প্রসাধনীতে তা সাময়িক ভাবে ঢাকা যায় মাত্র। যদি চোখের নীচের কালি তুলতে হয়, তা হলে কিছু ঘরোয়া উপায় আছে।
সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি ত্বকের মেলানিন রঞ্জকের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। এই মেলানিনই ত্বকের রং নির্ধারণ করে। মেলানিনের পরিমাণ বাড়লে ত্বকের রং গাঢ় হয়ে যায়। সে কারণে দাগছোপও পড়তে পারে। এর সমাধান কী ভাবে হবে?
আরও পড়ুন:
একটা পরিষ্কার কাপড়ের মধ্যে কয়েক টুকরো বরফ বেঁধে নিন। তার পরে ধীরে ধীরে চোখের চার পাশে ঠান্ডা সেঁক দিন। এমনটা রোজ করুন। দিনে এক বার করে। কোনও দিন বরফ না থাকলে ঠান্ডা জলও ব্যবহার করতে পারেন। তাতে ভিজিয়ে নেবেন কাপড়। সে ভিজে কাপড় দিয়ে কিছু ক্ষণ ঢেকে রাখবেন চোখ।
চোখের নীচের কালি দূর করতে অ্যালো ভেরা কার্যকরী। কারণ অ্যালো ভেরায় থাকা ময়েশ্চারাইজ়িং উপাদান পুরু দাগছোপও দূর করে। এমনিতে ত্বকের যত্নআত্তিতে অ্যালো ভেরার জুড়ি মেলা ভার। এই ধরনের সমস্যাতেও ভরসা রাখতে পারেন অ্যালো ভেরার উপর।
শসা বা আলুর টুকরো ১০-১৫ মিনিট চোখের উপর দিয়ে রাখুন। আলুর রস বা শসার রস চোখের নীচের কালি তুলতে খুবই কার্যকরী।
তুলোয় গোলাপ জল ভিজিয়ে চোখের উপর রাখলে ত্বক ঠান্ডা হয় এবং ক্লান্তি দূর হয়। এতেও দাগছোপ উঠে যাবে।
শুধু রান্নায় নয়, চোখের কালি মুছতেও হলুদ ব্যবহার করতে পারেন। হলুদে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা চোখের নীচের ফোলাভাব এবং কালো দাগ তুলতে সাহায্য করে।