Advertisement
E-Paper

বয়স ধরে রাখে গ্লুটাথিয়োন, কম সময়ে যৌবনের জেল্লা ফিরে পাওয়ার এই থেরাপি কি আদৌ নিরাপদ?

কম সময়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে ও যৌবনের মতো দীপ্তি পেতে গ্লুটাথিয়োন থেরাপির জুড়ি মেলা ভার। অনেক তারকাই এই থেরাপি করান এখন। তবে এটি কি আদৌ সকলের জন্য নিরাপদ?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:২৯
Dermatologist warns against side effects of Glutathione injection

গ্লুটাথিয়োন থেরাপি কাদের জন্য বিপজ্জনক? ছবি: ফ্রিপিক।

বয়স ধরে রাখতে গ্লুটাথিয়োন থেরাপি এখন বেশ জনপ্রিয়। অ্যান্টি-এজিং যে সব থেরাপি রয়েছে, তার মধ্যে এটিও একটি। নিষ্প্রাণ ত্বকে খুব দ্রুত জেল্লা এনে দিতে পারে এই থেরাপি। বয়সের ভারে কুঁচকোনো চামড়া আবার যৌবনের মতো টানটান করে দিতে পারে। উজ্জ্বল ও দাগছোপহীন ত্বক পাওয়ার স্বপ্ন যাঁরা দেখেন, তাঁদের জন্য আদর্শ এই থেরাপি। তারকাদের দেখাদেখি এখন অনেকেই এই থেরাপির দিকে ঝুঁকছেন। তবে সকলের জন্য কি এই ধরনের ত্বকের থেরাপি নিরাপদ?

গ্লুটিথিয়োনের ভালমন্দ

গ্লুটাথিয়োন একধরনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যা তিন ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড গ্লুটামিন, সিস্টিন ও গ্লাইসিন নিয়ে তৈরি। গ্লুটাথিয়োন ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে ত্বকে প্রবেশ করালে তা ত্বকের পিএইচের ভারসাম্য ধরে রাখতে পারে। ত্বকের প্রদাহ কমিয়ে কোষের পুনর্গঠনে বিশেষ ভূমিকা নেয়। এর কাজই হল ত্বকের কোষের পুনরুজ্জীবন ঘটানো, ফলে এই ইঞ্জেকশন নিলে বার্ধক্যের ছাপ খুব তাড়াতাড়ি মুছে যেতে পারে। যেহেতু ত্বকে নতুন কোষ তৈরি হয়, তাই ত্বকের সতেজতা ও উজ্জ্বলতা দুইই বাড়ে।

এ তো গেল গ্লুটাথিয়োনের ভাল দিক। কিন্তু এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম নয়। খুব বেশি এই ইঞ্জেকশন নিলে ত্বকে মেলানিন রঞ্জকের উৎপাদন কমতে থাকে। এতে ত্বকের কালচে ছোপ দূর হয় ঠিকই, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে মেলানিনের উৎপাদন কমলে সূর্যের অতিবেগনি রশ্মির প্রভাব তীব্র হয়ে দেখা দেয়। তখন নানা রকম চর্মরোগ দেখা দিতে পারে।

কখন বিপজ্জনক?

গ্লুটাথিয়োন ইঞ্জেকশনের পাশাপাশি খাওয়ার ওষুধ, মাখার ক্রিম এমনকি ইনহেলারও আছে। এগুলি সকলের জন্য নিরাপদ নয়। যাঁর রক্তচাপ বেশি বা লিভারের রোগ আছে এবং সে জন্য ওষুধ খেতে হয়, তিনি যদি ঘন ঘন গ্লুটাথিয়োন ওষুধ বা ইঞ্জেকশন নেন তা হলে ওষুধের ডোজ় নষ্ট হয়ে যাবে। রক্তচাপ বা লিভারের ওষুধের সঙ্গে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় রক্তে টক্সিন জমা হতে থাকবে যা প্রাণঘাতীও হতে পারে।

ডায়াবিটিসের রোগী বা কিডনির রোগের ওষুধ খেলে গ্লুটাথিয়োন থেরাপি বিপজ্জনক হতে পারে। আবার যাঁর হাঁপানি বা সিওপিডি আছে, অথবা অ্যালার্জির ধাত আছে, তাঁদের জন্যও এই থেরাপি নিরাপদ নয়। এতে হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা আরও বাড়বে। ফুসফুসের জটিল রোগ হওয়ার ঝুঁকিও বাড়বে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, গ্লুটাথিয়োন থেরাপিতে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। থাইরয়েডের ওষুধ যাঁরা নিয়মিত খান, তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই থেরাপি করানো একেবারেই উচিত নয়।

Skin Care Anti Ageing Glutathione
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy