সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলাচ্ছে রূপচর্চার ধরন। কয়েক বছর আগেও ধাপে ধাপে রূপচর্চা ছিল জনপ্রিয়। তবে নতুন বছরে সেই ধারা থেকে বেরোতে চাইছেন অনেকেই। হাতে সময় নেই। তাই সকলেই খুঁজছেন এমন কোনও জিনিস যাতে এক সঙ্গে একাধিক কাজ হবে। যেমন মুখ পরিষ্কার হবে, অথচ ত্বক রুক্ষ হবে না। ত্বকের আর্দ্রতাও বজায় থাকবে।
আরও পড়ুন:
অনেকেই মনে করেন দিনভর মুখে যে ধুলো-ময়লা জমছে, ঘাম-তেলের স্তর পড়ছে তা তোলার উপায় ভাল কোনও ফেনা যুক্ত ফেসওয়াশ। ফেনা হলে তবেই যেন মনে হয়ে মুখ পরিষ্কার হল। ফেনা হলে তা ধুতেও বেশি জল লাগে, তাই মুখ হয়ে ওঠে ঝকঝকে, এমনই ভাবনা অনেকের।
কিন্তু প্রসাধনীর জগৎ, চাহিদা, ভাবনা সবেতেই বদল আসছে। আর তারই ফল দুধের মতো ক্লিনজ়ার। একে কিন্তু নিছক দুধ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা ভাবলে হবে না। বরং ফেসওয়াশের জগতেই এসেছে এমন বদল, যেখানে ক্লিনজ়ার ঢেলে মুখে লাগালে মনে হবে কোনও ক্রিমের পরত। আর সেই পরতই তুলে দেবে মুখের ধুলো, ময়লা, ঘাম, আর তাও আর্দ্রতা বজায় রেখে।
ফেনা হয় এমন ফেসওয়াশে মুখ পরিষ্কার হলেও, নিমেষে যা হারিয়ে যায়, তা হল আর্দ্রতা। কিন্তু দুধের মতে ক্লিনজ়ার ত্বক পরিষ্কার করে যেন আদুরে স্পর্শে। ক্নিনজ়ারকে অবশ্য ক্নিনজ়িং মিল্কের সঙ্গে গুলিয়ে ফেললে হবে না। এটি ব্যবহার করতে হয় ফেসওয়াশের মতোই। দুধ মানেই তা প্রাণিজ তেমনটা নয়, ওট্স মিল্ক, নারকেলের দুধ, রাইস মিল্ক দিয়েও তৈরি হচ্ছে এই ক্নিনজ়ার। প্রতিটি উপাদানই ত্বক বান্ধব। ভিগান অর্থাৎ যাঁরা প্রাণিজ কোনও পণ্যই খান না, তাঁরাও এটি মাখতে পারেন।
তা ছাড়া, কোনও কোনও ক্নিনজ়ারে মেশানো হচ্ছে ভিটামিন বি৫-এর মতো ত্বক বান্ধব উপাদান।
কেন ঝুঁকছে নতুন প্রজন্ম
· দিনের শেষে ত্বকের যত্ন ক্লান্তিকর। কিন্তু এই ক্লিনজ়ার ময়লা তুলে দিতে পারে ত্বক রুক্ষ না করে।
· ওয়াটার প্রুফ মাস্কারা থেকে উঠতে চায় না এমন লিপস্টিকও এতে পরিষ্কার হয়ে যায় ক্লিনজ়ারে তৈলাক্ত ভাব থাকে বলে, ফোমিং ফেসওয়াশে তা কি