লিপ বাম শুধু শীত নয়, ব্যবহার করা যায় বছরভর। শীতে ত্বক বেশি শুষ্ক হয়ে পড়ে। তবে বছরের অন্য সময়ে ঠোঁটে আর্দ্রতার অভাব হয় না এমনটা কিন্তু নয়। আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য, ঠোঁট নরম রাখার জন্যই দরকার হয়।
বাজারে লিপবামের অভাব নেই। রংহীন বা টিন্ডেড, নানা রকম লিপবাম পাওয়া যায়। তবে রাসায়নিক এড়িয়ে যদি একেবারেই প্রাকৃতিক উপকরণে ওষ্ঠের যত্ন নিতে চান, তা হলে বাড়িতে নিজের পছন্দের লিপবাম তৈরি করে নিতে পারেন।
আরও পড়ুন:
নারকেল তেল এবং ভিটামিন ই লিপ বাম: নারকেলে শুধু খনিজ নয়, থাকে ফ্যাটি অ্যাসিড। তাই নারকেল তেলের বাম শুধু ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখে না, বরং নিয়মিত এর ব্যবহারে ঠোঁটের কালচে ছোপও দূর হতে পারে। বছরভর নরম ঠোঁট পেতে এটি ব্যবহার করা যায়।
তৈরির পদ্ধতি: বিওয়্যাক্স লাগবে এক টেবিল চামচ। জমাট বাঁধা বিওয়্যাক্স একটি ছোট বাটিতে নিয়ে গরম জলে বসান। ধীরে ধীরে তা গলে যাবে। তার মধ্যেই যোগ করুন ১ টেবিল চামচ নারকেল তেল। দুই উপকরণ ভাল করে মিশে গেলে একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল ফাটিয়ে তার মধ্যে থাকা তরলটি দিয়ে দিন।মিশ্রণটি ঢাকা দেওয়া ছোট্ট পাত্রে ঢেলে জমতে দিন। জমে গেলেই তা ব্যবহার করা যাবে।
ঘি দিয়ে রঙিন লিপ বাম: ঘি শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, ত্বকের যত্নও নিতে পারে। ঘি ত্বকে মাখার চলও নতুন নয়। তবে ঘি খাঁটি হওয়া জরুরি।
পদ্ধতি: বিট বেটে তা থেকে এক টেবিল চামচ রস বার করে নিন। ২-৩ টেবিল চামচ ঘিয়ের সঙ্গে খুব ভাল করে বিটের রস মিশিয়ে নিন। লিপ বামের কৌটো ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখুন। মিশ্রণটি এতে ঢেলে ফ্রিজে ভরে জমতে দিন।
ম্যাঙ্গো বাটার লিপ বাম: ত্বকের জন্য ম্যাঙ্গো বাটারও খুব উপকারী। এটি প্রাকৃতিক উপাদান। আমের আঁটির মধ্যে থাকা বীজ থেকে এই মাখন তৈরি হয়। ম্যাঙ্গো বাটারে রযেছে ভিটামিন এ এবং ই।
পদ্ধতি: একটি পাত্রে ১ টেবিল চামচ ম্যাঙ্গো বাটার, ১ টেবিল চামচ নারকেল তেল এবং ১ টেবিল চামচ বিওয়্যাক্স দিয়ে গরম জলের উপর বসান। সমস্ত মিশ্রণ গলে গেলে লিপ বাম রাখার কৌটোয় ভরে ফ্রিজে রাখুন। জমাট বেঁধে গেলে ব্যবহার করুন।