সম্প্রতি দারচিনির জল নিয়ে রিল বা পোস্ট চোখে পড়তে পারে সমাজমাধ্যমে। চর্চা শুরু হয়েছে নতুন এক ঘরোয়া পন্থা নিয়ে। মেথির জল, চিয়ার জল, জিরের জলের পর দারচিনির জলও এ বার প্রচারের আলো পাচ্ছে। তবে ত্বকের জন্য নয়, কেশচর্চার জন্য ব্যবহার হচ্ছে তা এবং তাতে নাকি উপকৃতও হচ্ছেন অনেকে। কী এমন উপকারিতা তার? কী ভাবে চুলের স্বাস্থ্যরক্ষা করতে পারে?
চুল পড়া এখন আর শুধু বার্ধক্যের সমস্যা নয়। কম বয়স থেকেই চুল ঝরা, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বা মাথার ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন অনেকে। তাই ঘরোয়া উপায় থেকে শুরু করে নানা ধরনের প্রসাধনীর খোঁজও বেড়েছে। আর সেখানেই অনেকে দাবি করছেন, নিয়মিত দারচিনির জল ব্যবহার করলে চুল গজানোর জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হতে পারে মাথার ত্বকে। পাশাপাশি, এতে চুল নাকি আরও মজবুত হয়। এই দাবির পিছনে কতটা সত্যতা রয়েছে?
দারচিনির জল স্প্রে করে যত্ন নিন চুলের। ছবি: সংগৃহীত
দারচিনির জল কী ভাবে কাজ করতে পারে?
দারচিনিতে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং প্রদাহনাশক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলি মাথার ত্বককে সুস্থ রাখতে এবং ত্বকের কিছু সমস্যার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। মাথার ত্বকের প্রদাহ কমায় এবং ত্বকে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে ফলিকলগুলিকে উদ্দীপিত করে। মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করতে পারে, অতিরিক্ত তেল জমে থাকলে তা দূর করতে পারে, চুলের গোড়ার পরিচর্যায় সাহায্য করতে পারে, চুলে ঔজ্জ্বল্য আনতে পারে। তবে এই সুবিধাগুলির অনেকটাই ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।
দারচিনির জল কী ভাবে তৈরি করবেন?
বাড়িতে খুব সহজেই দারচিনির জল তৈরি করা যায়। ২ টুকরো দারচিনি একটি পাত্রে ২ কাপ জল নিয়ে ফুটিয়ে নিন। ১০-১৫ মিনিট ফোটানোর পরে জল ঠান্ডা হতে দিন। তার পর ছেঁকে একটি পরিষ্কার স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। জল সম্পূর্ণ ঠান্ডা হওয়ার পরেই ব্যবহার করা উচিত।
আরও পড়ুন:
কী ভাবে ব্যবহার করবেন?
মাথার ত্বক এবং চুলে স্প্রে করে নিন অথবা তুলোর সাহায্যে মাথার ত্বকে লাগানো যেতে পারে। ৫ মিনিট মাসাজ করে মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে নিন। তবে ব্যবহার করার পরে যদি জ্বালা, চুলকানি বা অস্বস্তি হয়, তা হলে সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে ফেলতে হবে।