বিয়েবাড়ির মরসুমে ত্বকে দ্রুত জেল্লা পেতে অনেকেই অনেক কিছু করে থাকেন। এখন নানা ধরনের শিট মাস্ক বা অ্যান্টি ট্যান প্যাক বাজারে পাওয়া যায়। যা মাখলে সহজেই ত্বকে জেল্লা আসে। তবে কেউ যদি ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকে জেল্লা আনতে চান তবে এই দুই উপকরণ হাতের কাছে মজুত রাখতে পারেন। সামান্য জোগানেই ব্রণের সমস্যা থেকে শুরু করে রোদে পুড়ে যাওয়া ভাব— সবই কাটবে। বিশেষ ওই দুই উপকরণ হল চন্দন এবং মধু। এই দুটি উপাদানই প্রাকৃতিক রূপচর্চায় যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। চন্দন তার শীতল করার গুণের জন্য পরিচিত, আর মধু কাজ করে প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার এবং অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল হিসেবে। ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় এই দুটি উপাদান যেভাবে ব্যবহার করতে পারেন:
১. ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি
চন্দন ত্বকের কালচে ভাব দূর করে আর মধু যোগ করে বাড়তি জেল্লা।
পদ্ধতি: ১ চামচ চন্দন গুঁড়োর সাথে ১ চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বককে নরম ও উজ্জ্বল করে।
২. ব্রণ ও র্যাশের সমস্যায়
চন্দনের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান এবং মধুর নিরাময় ক্ষমতা ব্রণের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে।
পদ্ধতি: চন্দন গুঁড়ো ও মধুর সাথে সামান্য হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম জলে ধুয়ে নিন।
৩. তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে
যাঁদের ত্বক খুব তৈলাক্ত, তাঁদের জন্য চন্দন ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এটি অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়।
পদ্ধতি: চন্দন গুঁড়ো, মধু এবং কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল মিশিয়ে মুখে লাগান। এটি লোমকূপ পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে।
৪. রোদে পোড়া ভাব দূর করতে
চন্দন ত্বককে ঠান্ডা করে আর মধু ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে ট্যান সরাতে সাহায্য করে।
পদ্ধতি: চন্দন গুঁড়ো ও মধুর সাথে কিছুটা টক দই মিশিয়ে রোদে পোড়া অংশে লাগান। ১০-১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।