শীতের রোদ গায়ে মেখে বসে থাকতে মন্দ লাগে না। তা ছাড়া, শীতে রোদ না মাখলে ভিটামিন ডি ঠিক করে পাওয়া যায় না। তবে ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে পেলেও এতে ত্বক পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। অনেকেই শীতকালে ঘুরতে যান। শীতে সানস্ক্রিন মাখার প্রয়োজন নেই, অনেকের এমনটাই ধারণা। অথচ সানস্ক্রিন না মাখলে ত্বকে ট্যান প়ড়তে শুরু করে। গ্রীষ্মের চেয়ে শীতের রোদে ট্যান পড়ে বেশি। অনেকেই এটা মানতে চান না। তাই শীত ফুরোনোর আগেই ত্বকে কালচে ছোপ পড়ে যায়। শীতকালীন ট্যান তুলতে পার্লারে যাওয়ার দরকার নেই। ঘরোয়া টোটকাতেই ট্যান তুলে ফেলতে পারেন।
ট্যান তুলতে কাজে লাগাতে পারেন বিট। ট্যান দূর করার জন্য মুলতানি মাটি, বিটের পাউডার, মধু আর দুধ দিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে সপ্তাহে দু’তিন বার ব্যবহার করুন। মিনিট পনেরো প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন, ট্যানের সমস্যা দূর হবে। হাত-পায়ের ট্যান দূর করতেও এই প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।
শীতের সব্জি বিট এখন বছরভরই পাওয়া যায়। বিটের রস শরীরের জন্য খুব উপকারী। ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর বিট বলিরেখা দূর করতে, দাগছোপ কমাতে সাহায্য করে। চোখের তলায় কালচে দাগও দূর করে এটি। ঠোঁটের কালচে দাগ দূর হতে পারে বিটের গুণে। ত্বক আর্দ্র রাখতে, প্রদাহ কমাতে ও ত্বকের ছোটখাটো সংক্রমণ রুখতেও এটি কার্যকর।