সামনেই বিয়ে। বিয়ের তারিখ ঠিক হওয়ার পরের দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় প্রস্তুতি পর্ব। হবু কনে যে বিষয়টি নিয়ে বেশি ভাবেন, তা হল রূপচর্চা। সকলেই চান বিয়ের দিন যাতে দেখতে সবচেয়ে বেশি সুন্দর লাগে। তার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে আগে থেকেই। বিয়ের আগের দিন একটা ফেশিয়াল করে নিলেই জেল্লা চলে আসবে, এ ধারণা ভুল। আবার বাজারচলতি প্রসাধনীর রাসায়নিকে ত্বকের জেল্লা নষ্টও হতে পারে। তাই বিয়ের দিন সতেজ দেখাতে প্রসাধনী হয়, ত্বককে ভিতর থেকে সজীব করে তুলতে হবে। তার জন্য প্রয়োজন কিছু ‘বিউটি ড্রিঙ্ক’।
এমন কিছু পানীয় যা কোলাজেন সমৃদ্ধ। পাশাপাশি ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর। ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে পারবে। শরীরও ডিটক্স করবে। তেমনই পাঁচ পানীয়ের রেসিপি জেনে নিন।
এবিসি জুস
আপেল, বিট এবং গাজরের মিশ্রণে তৈরি এই রস অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর। ফাইবার, ভিটামিন এ, বি১, বি২, বি৬, সি, ই এবং কে-তে সমৃদ্ধ এই পানীয়। একটি আপেল, অর্ধেক বিট ও একটি গাজর নিতে হবে। সব উপকরণ ধুয়ে ব্লেন্ড করে নিন। সামান্য লেবুর রস ও বিট নুন মিশিয়ে সকালে খালি পেটে পান করুন।
ডাবের জল ও চিয়া বীজের শরবত
১ গ্লাস ডাবের জল, ১ চামচ ভেজানো চিয়া বীজ ও পুদিনা পাতা নিতে হবে। এ বার চিয়া বীজ পিষে নিয়ে তা ডাবের জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। উপরে পুদিনা পাতা ছড়িয়ে পান করুন। ডাবের জলে চিয়া বীজ ভিজিয়ে রেখে সেই পানীয়ও পান করতে পারেন।
আমলকি ও অ্যালো ভেরার শট
২টি টাটকা আমলকি পিষে রস করে নিতে হবে। এক কাপ ঈষদুষ্ণ জলে আমলকির রস ও ২ চামচ অ্যালো ভেরা মিশিয়ে নিতে হবে। সামান্য বিটনুন মিশিয়ে এই রস পান করলে বলিরেখা পড়বে না। ত্বকে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়বে।
আরও পড়ুন:
শসা ও ধনেপাতার কুলিং জুস
ত্বকে ব্রণ বা র্যাশের সমস্যা থাকলে এই জুস উপকারে আসবে। ১টি শসা, এক মুঠো ধনেপাতা বা পুদিনা পাতা এবং সামান্য আদা নিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। তার পর ছেঁকে লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।
কেসর-বাদাম শরবত
ত্বকের কালচে ছোপ দূর করবে এই পানীয়। ত্বক হবে নায়িকাদের মতো ঝলমলে। ৫-৬টি ভেজানো কাঠবাদাম, এক চিমটি কেসর, এক গ্লাস ঊষ্ণ দুধ বা নারকেলের দুধ নিতে হবে। বাদাম বেটে নিন। হালকা গরম দুধে কেসর মিশিয়ে রাখুন যাতে রং হয়। এ বার বাদাম বাটা দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন।