কারও খুশকির সমস্যা কিছুতেই কমে না। কারও আবার মাথার ত্বকের সংক্রমণ বার বার ফিরে আসে। ফল, চুল ঝরা। চিকিৎসক থেকে কেশচর্চা শিল্পীরা বলছেন, কেশসজ্জায় ব্যবহৃত রাসায়নিক, স্প্রে, সিরাম চুলে লেগে থাকলে তা থেকে সমস্যা হতে পারে। খুশকি, সংক্রমণের নেপথ্যে থাকতে পারে অপিরচ্ছন্ন মাথার ত্বক। শ্যাম্পু করার সময় মাথার ত্বক খানিক পরিষ্কার হলেও, পুরোপুরি হয় না। তেল-ময়লা, এমনকী শ্যাম্পু করে চুল ঠিক করে না ধুলে শ্যাম্পুও চুলে লেগে থাকতে পারে। আর তা থেকেই হতে পারে নানা সমস্যা।
মাথার ত্বক ‘ডিটক্স’-এর কৌশল
মাথার ত্বক থেকে টক্সিন ও ময়লা বার করতে হলে কয়েকটি ধাপ মেনে চলা জরুরি।
ডবল ক্লিনজ়িং: মাসে একদিন সাধারণ শ্যাম্পুর বদলে ক্ল্যারিফাইং শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। এই ধরনের শ্যাম্পু মাথার ত্বক গভীর ভাবে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। সাধারণ শ্যাম্পুর চেয়ে এই শ্যাম্পু আরও ভাল ভাবে কাজ করে। বিশেষত চুলের ধরন তৈলাক্ত হলে বা দিনভর ধুলো-ময়লায় ঘুরতে হলে এটি ভাল।
শ্যাম্পু করার সময় স্ক্যাল্প মাসাজ়ার দিয়ে মাথার ত্বক পরিষ্কার করে নিন। এর নরম দাঁতে মাথার ত্বকে জমে থাকা মৃত কোষ, ময়লা, আলগা চামড়া উঠে আসবে। তা ছাড়া, মাসাজ়ারের ব্যবহার আরামদায়কও।
ভাল ভাবে ধুয়ে নিতে হবে: অনেক সময় শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার চুলে থেকে যায়। এগুলি রাসায়নিক। ফলে তা জমে থাকলে চুলের সমস্যা হতে পারে, মাথা চুলকাতে পারে। শ্যাম্পু করার পরে খুব ভাল করে চুল ধুতে হবে। একই শর্ত প্রযোজ্য কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রেও।
কত দিন অন্তর শ্যাম্পু: গরমের দিন হলে বা দিনভর বাইরে ধুলোয় ঘোরাঘুরি করতে হলে ২দিন অন্তর শ্যাম্পু করা প্রয়োজন। ঘাম বসলে বা ধুলো জমলে চুলের ক্ষতি হবে। তবে শীতের দিন হলে কিংবা বাড়িতেই থাকলে ৩-৪ দিন অন্তর শ্যাম্পু করলেও চলবে। এটি নির্ভর করে চুলের ধরন এবং প্রয়োজনীয়তার উপর।