• সুজাতা মুখোপাধ্যায়
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চান? ভরসা রাখুন এই বিশেষ ভেষজ খাবারে

ayurvedik
ভেষজ উপাদানে আস্থা রাখুন। ছবি: শাটারস্টক।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভেষজ উপাদানের জুড়ি মেলা ভার। কোভিড ঠেকাতেও যে তার ভূমিকা আছে তা প্রমাণ করেছেন বিজ্ঞানীরা। আইসিএমআর ও আয়ুশ মন্ত্রকের যৌথ উদ্যোগে অশ্বগন্ধা, গুড়ুচি ও যষ্টিমধুর উপর ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলছে। অশ্বগন্ধা থেকে টিকা বানানোর চেষ্টা করছেন আইআইটি, দিল্লি ও জাপানের সায়েন্টিফিক ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা।

আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ বিশাখা মাহেন্দ্র জানিয়েছেন, “কালমেঘ, চিরতা, তুলসির সঙ্গে গুড়ুচি বা গুলঞ্চ ও যষ্টিমধু মিশিয়ে রোজ খেতে পারলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে, কমতে পারে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কাও।” কী ভাবে খেতে হবে তা-ও জানিয়েছেন তিনি।

কী ভাবে বানাবেন

এক গ্লাস জল ফুটে উঠলে তাতে আধ চা-চামচ করে কালমেঘ, চিরতা, গুলঞ্চ, তুলসির বীজ ও যষ্টিমধু মিশিয়ে আঁচ কমিয়ে খানিক ক্ষণ ফুটিয়ে নিন। তুলসির বীজ না পেলে ৬-৭টা তুলসি পাতা দিয়ে দেবেন। ঠান্ডা করে ছেঁকে খান। বেশি তেতো বা ঝাঁঝালো লাগলে এক চামচ মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। খাঁটি মধুরও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে। হাতে সময় থাকলে সব উপাদান সারা রাত জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলেও একই কাজ হবে।

আরও পড়ুন: করোনা ঠেকাতে নতুন আশা, সেরে ওঠা রোগীর রক্তের টি-সেলেই আস্থা গবেষকদের

কালমেঘ পাতায় আছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট।

কোনটার কী উপকার

প্রতিটি উপাদানই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তার পাশাপাশি আরও অনেক গুণ আছে।

• কালমেঘে আছে নানা রকম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আয়ুর্বেদ মতে নিয়মিত খেলে শরীরে কফ ও পিত্তের মধ্যে সমতা থাকে। ফলে ঠান্ডা লাগা, ফ্লু, গলা-ফুসফুসে সংক্রমণের প্রকোপ কম থাকে। কমে প্রদাহের প্রবণতা।

• জ্বর ও হাঁপানির প্রকোপ কম রাখার প্রাকৃতিক ওষুধ হল গুলঞ্চ। কোভিডের কিছু উপসর্গও কমাতে পারে বলে জানা গিয়েছে ক্লিনিকাল ট্রায়ালে। মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতেও এর ভূমিকা আছে বলে জানিয়েছেন বিশাখা মাহেন্দ্র।

আরও পড়ুন: রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা বাড়াতে ও সুস্থ থাকতে প্রতি দিন পাতে রাখুন এই খাবার

• হাঁপানির প্রকোপ কম রাখতে ও বুকে জমা কফ তুলতে চিরতা অদ্বিতীয়। তবে গর্ভাবস্থায় না খাওয়াই ভাল।

• নিয়মিত তুলসির বীজ খেলে কফ জমতে পারে না। এর ভাইরাস মারারও ক্ষমতা আছে।

• যষ্টিমধু খেলে গলাব্যথা ও শুকনো কাশি কমে। সর্দি-কাশি ও বুকে কফ জমার প্রবণতা কম থাকে। প্রদাহ কমাতে ও সরাসরি জীবাণু মারতেও এর ভূমিকা আছে।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন