ব্রণের সমস্যায় ঘরোয়া নানা পদ্ধতি প্রয়োগ করে দেখেছেন। তবে রাতারাতি সমাধান চাইলে নিম্নলিখিত কয়েকটি পদ্ধতি প্রয়োগ করে দেখতে পারেন। এই পদ্ধতি মুখ থেকে দ্রুত ব্রণ মেলাতে সাহায্য করবে।
১. গ্রিন টি ব্যাগ কম্প্রেস
গ্রিন টি-তে থাকা ইজিসিজি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সরাসরি ব্রণের ওপর দারুণ কাজ করে। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল উৎপাদন কমায় এবং প্রদাহ বা লালচে ভাব দ্রুত দূর করে। একটি গ্রিন টি ব্যাগ গরম জলে ভিজিয়ে নিন। তারপর সেটি তুলে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করুন। এই ঠান্ডা ও ভেজা টি ব্যাগটি ব্রণের ওপর ৫-১০ মিনিট চেপে ধরে রাখুন। টি ব্যাগের ভেতরকার ভেজা পাতাগুলো সামান্য মধুর সাথে মিশিয়ে ব্রণের ওপর ‘স্পট মাস্ক’ হিসেবেও ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখতে পারেন।
২. ক্যালামাইন লোশন ও উইচ হেজেল মিক্স
অনেকে ক্যালামাইন লোশন কেবল চুলকানির জন্য ব্যবহার করেন, কিন্তু এটি ব্রণ শুকানোর জন্য একটি শক্তিশালী ‘ড্রাইয়িং এজেন্ট’। ক্যালামাইন লোশনে থাকা জিঙ্ক অক্সাইড ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নেয় এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। উইচ হেজেল একটি প্রাকৃতিক অ্যাস্ট্রিজেন্ট যা লোমকূপ সংকুচিত করে। একটি ছোট পাত্রে সামান্য ক্যালামাইন লোশন নিন এবং তাতে ২-৩ ফোঁটা উইচ হেজেল মেশান। মিশ্রণটি একটি কটন বাড দিয়ে শুধু ব্রণের মাথার ওপর লাগিয়ে সারারাত রেখে দিন। সকালে উঠে দেখবেন ব্রণ অনেকটাই শুকিয়ে ছোট হয়ে গেছে।
৩. অ্যাসপিরিন স্পট মাস্ক
অ্যাসপিরিন ট্যাবলেটে থাকে অ্যাসিটাইল স্যালিসাইলিক অ্যাসিড, যা ব্রণের চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত ‘স্যালিসাইলিক অ্যাসিড’-এর খুব কাছের একটি রূপ। এটি ব্যথানাশক হওয়ার পাশাপাশি ত্বকের প্রদাহ কমাতেও দারুণ কার্যকর। এটি ব্রণের লালচে ভাব এবং ফোলাভাব খুব দ্রুত কমিয়ে দেয়। এছাড়া এটি ত্বকের বন্ধ হয়ে যাওয়া লোমকূপ খুলে দিতে এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
পদ্ধতি: ১-২টি ডিসপিরিন বা অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট নিয়ে ভালো করে গুঁড়ো করে নিন। এতে কয়েক ফোঁটা জল দিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করুন। (আরও ভালো ফল পেতে জলের বদলে সামান্য মধু মিশিয়ে নিতে পারেন, যা ত্বককে শুষ্ক হওয়া থেকে বাঁচাবে)। কটন বাড বা আঙুলের সাহায্যে মিশ্রণটি শুধুমাত্র ব্রণের ওপর লাগান। ১০-১৫ মিনিট রেখে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।