স্নান করার পরে যখন চুল শুকোয় তখন কি মনে হয় রুক্ষ কিংবা নিষ্প্রাণ? কিংবা মনে হয় নেতিয়ে গিয়েছে? সেই চুলে না আছে বাহার, না কোনও রকম ঔজ্জ্বল্য। যত ক্ষণ না বৈদ্যুতিক যন্ত্রের সাহায্যে তা মসৃণ অথবা ঢেউ খেলানো হচ্ছে, তত ক্ষণ যেন চুলে সৌন্দর্যই খেলে না।
কিন্তু এই ভাবে রোজ চুলের সজ্জা যে ঠিক নয়, সকলেই জানেন। তা ছাড়া, তাড়াহুড়োর সময়ে পছন্দের কেশসজ্জার সময়ই বা থাকে কোথায়? এমন কেশে ঢেউ খেলাতে কিংবা বাহার আনতে যন্ত্র নয়, ব্যবহার করা যায় অন্য কিছুও। শুধু জানা প্রয়োজন রুক্ষ বা এলোমেলো চুল সামলানোর কৌশল।
১। ঠিক ভিজে নয় কিন্তু চুলের আর্দ্রতা বজায় থাকলে, চুল দেখায় প্রাণবন্ত। আর তার জন্যই বানিয়ে ফেলুন স্প্রে। কেশসজ্জা শিল্পীদের পরামর্শ, চুল সামলাতে লিভ ইন কন্ডিশনারের সঙ্গে জল মিশিয়ে স্প্রে করে, চুল হাত দিয়ে একটু মুড়ে নিন, যেমনটা কেশসজ্জা করতে চাইছেন। যেমন ধরুন চুলের নীচটা একটু ঢেউ খেলাতে চান, কিংবা চান না চুলের নীচের ফাটা অংশ দৃশ্যগোচর হোক। চুল দুই ভাগে ভাগ করে এক এক অংশের চুল আলগা করে পাকিয়ে নিন। চুল খানিক বাদে কিছুটা খুলেও যাবে। তবে এই পন্থায় ডগা ফাটা অংশ আড়াল হবে আবার চুল দেখাবে অন্য রকম।
২। মাথার ত্বক তেলতেলে? কিংবা চুলে ফোলা ভাব আনতে চান? শ্যাম্পু করার সুযোগ না থাকলে উপায় হতে পারে ড্রাই শ্যাম্পু। তবে পুরো চুলে তা না দিয়ে, যে অংশটি বেশি তেলতেলে হয়ে রয়েছে বা চুলের যে অংশটি একটু ফোলাতে হবে সেই খানে ব্যবহার করা যেতে পারে।
৩। চুল কোঁকড়া হলে, তা সামলানো বেশ কঠিন হয়ে যায়। বিশেষত চুল খোলা রাখলে জট পড়ার ভয় থাকে সব সময়েই। আর যাই হোক উসকো খুসকো বা জট পড়া চুল মোটেও সুন্দর দেখায় না। রং করা রুক্ষ চুলের জন্য বেছে নিতে পারেন লিভ ইন কন্ডিশনার। তবে জল মিশিয়ে নয়, এমন চুলে সেটি ব্যবহার করতে হবে ক্রিমের মতো করে। কন্ডিশনার যেন প্রতিটি চুলে সমান ভাবে লাগে। কোঁকড়া হোক বা ঢেউ খেলানো— রুক্ষ চুল প্রাণবন্ত দেখাতে এবং খোলা চুল সামলাতে এই কৌশল বেশ কাজের।