মহমেডানের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির পদ থেকে রবিবার দুপুরে আচমকাই ইস্তফা দিলেন কামারউদ্দিন। সভাপতি, ট্রাস্টি সদস্যদের চিঠি পাঠিয়ে থেকে তিনি ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। তবে কেন ইস্তফা দিয়েছেন সে সম্পর্কে জানা যায়নি।
এ দিন চিঠিতে কামারউদ্দিন জানিয়েছেন, ২০০১-এর ৬ মার্চ থেকে তিনি ক্লাবের বিভিন্ন পদে ছিলেন। বরাবর মহমেডানের ঐতিহ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন বিভিন্ন মঞ্চে। ইস্তফার বিষয়ে কামারউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও ফোনে পাওয়া যায়নি। তবে কিছু দিন আগে সমর্থকেরা কিছু ক্লাবকর্তার পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভ করেছিলেন। সেখানে ছিল কামারউদ্দিনকে সরানোর দাবিও।
সমর্থকদের ক্ষোভের তালিকায় থাকা আর এক কর্তা আমিরুদ্দিন ববি কিছু দিন আগেই ইস্তফা দিয়েছেন। তাঁর জায়গায় নতুন সভাপতি হয়েছেন নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। সমর্থকদের চাপের কাছে হার মেনে কামারউদ্দিন সরে গিয়েছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।
ঘটনাচক্রে, সোমবার মহমেডান তাঁবুতে একটি সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন হুমায়ুন। সেখানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হবে। শোনা যাচ্ছে, ক্লাবের আর্থিক বকেয়া নিয়েও সুখবর শোনাতে পারেন হুমায়ুন।
আরও পড়ুন:
গত ৬ জুন আনুষ্ঠানিক ভাবে সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে হুমায়ুন বলেছিলেন, “অর্থের সংস্থান করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের হাতে আলাদিনের প্রদীপ নেই। ফলে রাতারাতি সমস্যা মিটবে না। সময় দিতে হবে। এটুকু বলতে পারি, ক্লাবের ঐতিহ্য ধরে রাখার সব রকম চেষ্টা করা হবে।”