ফিফা বিশ্বকাপে মেসি-রোনাল্ডোদের ভিড়ে নজর কেড়েছেন নরওয়ের ফুটবলার তারকা আর্লিং হালান্ড। গত কয়েকদিন থেকেই তিনি আলোচনায়। ইতিমধ্যেই দু’টি ম্যাচে চার গোল করে ফেলেছেন। বিশ্বকাপের সোনার বুটের লড়াইয়ে লিয়োনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে এক সারিতে রয়েছেন নরওয়ের তারকা। মাঠে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের মনে ত্রাস তৈরি করা হালান্ড কেবল তাঁর খেলার দক্ষতা জন্য আলোচনায় আসেননি, নজরে এসেছে তাঁর খাদ্যাভ্যাসও। ভারতীয় খাবার খেতে ভালবাসেন হালান্ড। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ভারতের কোন তিন খাবার তাঁর সবচেয়ে বেশি পছন্দের।
রোজের ডায়েটে ৬০০০ ক্যালোরি রাখতেই হয় নরওয়ের ফুটবল তারকাকে। হালান্ডের ডায়েটের সিংহভাগ জুড়ে থাকে প্রোটিন। আর প্রোটিনের মধ্যে মাংস খেতেই বেশি পছন্দ করেন। নানা ধরনের কবাব, মশলা ও ভেষজ সহযোগে গ্রিল করে বা আগুনে পুড়িয়ে তৈরি মাংসের নানা পদ তাঁর পছন্দ। আর পছন্দ ভারতীয় খাবার। গার্লিক নান সহযোগে বাটার চিকেন পেলে আর কিছু চান না হালান্ড। সঙ্গে ভেড়ার মাংসের চপ হলে তো কথাই নেই।
বাটার চিকেন-গার্লিক নান।
আরও পড়ুন:
বিশ্বকাপ চলছে। তাই এখন কড়া ডায়েটেই থাকতে হচ্ছে হালান্ডকে। তবে সপ্তাহে অন্তত এক দিন ‘চিট ডে’ পেলেই তিনি ভারতীয় রন্ধনপ্রণালীতে তৈরি গার্লিক নান ও বাটার চিকেনই অর্ডার করছেন। তন্দুরে সেঁকা চিকেনের টুকরোকে মাখন, টম্যাটো, ক্রিম ও নানা রকম মশলা সহযোগে কষিয়ে রাঁধলে তা বেশি পছন্দ করেন ফুটবলার। এর সঙ্গেই পছন্দ ল্যাম্ব চপ বা ভেড়ার মাংসের চপ। ভেড়ার মাংস বিশেষ আকারে কেটে আদা, রসুন, টক দই এবং গরম মশলার মিশ্রণে ম্যারিনেট করে গ্রিল করে রান্নাটি করা হয়। ভারতীয় রন্ধনপ্রালীতে ল্যাম্ব চপের বাইরেটা মুচমুচে কিন্তু ভিতরের মাংস থাকে নরম তুলতুলে। প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবারটি হালান্ডের পছন্দের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে। বাটার চিকেন বা ল্যাম্ব চপ খাওয়ার জন্য হালান্ডের চাই গরম গরম বাটার গার্লিক নান।
ল্যাম্ব চপ।
হালান্ড জানিয়েছেন, নরওয়েতে থাকার সময়েও সেখানকার ভারতীয় রেস্তরাঁয় গিয়ে তিনি এমন খাবার খান। খেলার মাঠে পারফরম্যান্স ভাল হলে তখনও এমন খাবার খেতেই পছন্দ করেন। ভারতীয় খাবারের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ যেমন তাঁর রসনাতৃপ্ত করে, তেমনই শরীরে শক্তিও জোগায়।