পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকা ও ইজ়রায়েল বনাম ইরানের যুদ্ধের আঁচ এসে পড়েছে বাঙালির হেঁশেলেও। এলপিজি সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। দাম বেড়েছে রান্নার গ্যাসের। বুকিং করার কত দিন পরে গ্যাস পাওয়া যাবে তাও অনিশ্চিত। এই উদ্বেগের কারণেই রান্নার গ্যাসের বিকল্পের খোঁজ করছেন অনেকেই। বেশির ভাগই ভরসা রাখছেন ইন্ডাকশনে কুকটপের উপর। নতুন ইন্ডাকশন কেনার আগে কী কী বিষয় মাথায় রাখবেন, রইল হদিস।
১) বাজারে বিভিন্ন ওয়াটেজের ইন্ডাকশন কুকটপ পাওয়া যায়। ১২০০-১৪০০ ওয়াটেজের ইন্ডাকশন সাধারণত চা বানানো, দুধ গরম করা কিংবা অল্প সময়ে বানিয়ে ফেলা যায় এমন রান্নার জন্য ব্যবহার করা হয়। তবে রোজের রান্না ইন্ডাকশনে করতে চাইলে ১৬০০-১৮০০ ওয়াটেজের ইন্ডাকশন কিনতে হবে। তবে ভাজাভুজি করতে ২০০০-এর বেশি ওয়াটেজের ইন্ডাকশন দরকার।
২) এমন বাসনপত্রও কিনতে হবে যা ইন্ডাকশনে ব্যবহার করা যাবে। এতে সাধারণত ম্যাগনেটিক কুকওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
৩) বিভিন্ন আকারের ইন্ডাকশন কুকটপ পাওয়া যায়। ইন্ডাকশনের আকার যদি পাত্রের আকারের তুলনায় ছোট হয়, তা হলে রান্না করতে সমস্যা হবে। তাই বড় মাপের ইন্ডাকশন কেনাই ভাল। ইন্ডাকশনের যে ভাগটায় রান্না করা হয়, সেটি কাচের হলে রান্না করতে বেশি সুবিধা হবে।
৪) ইন্ডাকশন কেনার আগে তাতে কিছু বৈশিষ্ট্য আছে কি না, তা অবশ্যই দেখে নিন। টাইমার, ওভার লোড প্রটেকশন, প্যান ডিটেকশন, চাইল্ড লক সেফটি—র মতো বৈশিষ্ট্যগুলি থাকা ভীষণ জরুরি।
৫) প্রিসেট মেনু অপশন আছে কি না তা যাচাই করে নিন। অনেক সময় বোঝা যায় না কোন তাপমাত্রায় কোন রান্নাটি করতে হবে। প্রিসেট মেনু থাকলে কোন তাপমাত্রায় ভাজাভুজি করবেন আর কোন তাপমাত্রায় মাংসের ঝোল রান্না করবেন, তা বুঝতে অসুবিধা হবে না।