চিনা খাবারের পর ভোজনরসিক বাঙালি এখন ইটালিয়ান খাবারের প্রেমে পড়েছে। রেস্তরাঁয় গেলেই খোঁজ পড়ছে পিৎজ়া, পাস্তার। বাচ্চাদের স্কুলের টিফিন হোক বা বাড়িতে ছুটির দিনে জলখাবার— পাস্তা থাকছে মেনুতে। হোয়াইট সস্, রেড সস্ কিংবা পেস্তো সস্ দিয়ে পাস্তা বানিয়ে ফেলছেন কেউ কেউ। খুদের টিফিন থেকে বিকেলের জলখাবার, অনেকেই এখন মাঝে মাঝেই পাস্তা খান। পাস্তা সেদ্ধ করার সময় অতিরিক্ত যে জল থেকে যায়, বেশির ভাগ বাড়িতেই তা ছেঁকে ফেলে দেওয়া হয়। এই জল কিন্তু হেঁশেলের আরও ৫ কাজে ব্যবহার করা যায়।
১) অনেকেই এখন বাড়িতেই পিৎজ়া বানিয়ে নেন। এই পিৎজ়ার ময়দা মাখার সময়েই ব্যবহার করতে পারেন পাস্তা সেদ্ধ করা হল। এই জলে আগে থেকেই নুন আর তেল মেশানো থাকে, ফলে পিৎজ়া হয় তুলেতুলে নরম।
২) ভাত রাঁধার সময় সাধারণ জলের বদলে পাস্তা সেদ্ধ করা জল ব্যবহার করতে পারেন। ভাতের স্বাদে সামান্য বদল আসবে এতে। একই কথা প্রযোজ্য ডালের ক্ষেত্রেও। রান্নার আগে ডাল ধুয়ে পাস্তা সেদ্ধ করা গরম জলে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। রান্নার সময় দেখবেন, সময় অনেক কম লাগছে।
৩) রান্নার জন্য যদি আগে থেকে কোনও সব্জি সেদ্ধ করে নিতে হয়, তবে আর আলাদা করে জল না বসিয়ে পাস্তা সেদ্ধ করা জলের মধ্যেই দিয়ে দিন। জলের অপচয় কম হবে।
৪) শীতের সব্জি দিয়ে কিংবা মুরগির মাংস দিয়ে যে স্যুপ বানানো হয়, সেখানেও সাধারণ জলের বদলে পাস্তার জল দিয়ে দিন। স্বাদ বাড়বে এবং আলাদা করে কর্নফ্লাওয়ার দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।
৫) কোনও রান্না কষানোর সময়ে মশলা একটু বেশি শুকিয়ে গিয়ে যদি কড়াইয়ে লেগে যায়, তবে এই মশলা তুলতে সাধারণ জলের বদলে পাস্তা সেদ্ধ করা জল ব্যবহার করতে পারেন। এতে স্বাদ বাড়বে রান্নার।