একা ফোন ‘স্মার্ট’ হবে কেন? ফোনের ব্যবহারকারী যে বাড়িতে থাকেন, চাইলে তাকেও বুদ্ধিদীপ্ত বানানো যেতে পারে। যাতে নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাজ হয়ে যায়। যাতে আরও সুরক্ষিত হওয়া যায়, যাতে দৈনন্দিন যাপন অল্প পরিশ্রমেই আরও উন্নত হতে পারে। নানা ধরনের স্মার্ট ডিভাইসের মাধ্যমে সেটা করা সম্ভবও। আর তার জন্য যে খুব বেশি খরচ করতে হবে এমনও নয়।
১. এলইডি বাল্ব
স্মার্ট হোম তৈরির প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে আলো। এমন আলো যা ফোনের অ্যাপ বা কণ্ঠস্বরের নির্দেশ পেয়ে বাড়বে, কমবে, মৃদু অথবা জোরালো হবে আবার বদলাবে রংও। এ ছাড়া টাইমার সেট করে রাখলে নির্দিষ্ট সময়ে আলো নিজে থেকেই জ্বলে ওঠার বা নিভে যাওয়ার ব্যবস্থাও করা যাবে। যা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করবে।
২. প্লাগ পয়েন্ট
সাধারণ ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোকেই স্মার্ট বানাতে পারে এই প্লাগ। ফ্যান, কফি মেকার বা টেবিল ল্যাম্প এই প্লাগে লাগিয়ে দিলে তা পরিণত হবে স্মার্ট ডিভাইসে। ঘর থেকে বের হওয়ার পর ইস্ত্রি বা গিজার বন্ধ করেছেন কি না তা নিয়ে চিন্তিত থাকলে ফোন থেকেই চেক করে বন্ধ করে দেওয়া যাবে এই প্লাগের সঙ্গে জোড়া থাকলে।
৩. ভিডিও ডোরবেল
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্মার্ট ডোরবেলের জবাব নেই। কলিং বেল বাজলে কে এসেছেন জানতে দরজা পর্যন্ত যেতে হবে না। ফোনের পর্দাতেই তাঁকে দেখা যাবে। এমনকি, বাড়ির বাইরে থাকলেও এই প্রযুক্তির মাধ্যমে আগন্তুকের সঙ্গে কথাও বলতে পারবেন। এতে মোশন সেন্সর থাকে, যা সন্দেহজনক কিছু দেখলে নোটিফিকেশনও পাঠাবে।
৪. ডোর লক
চাবি হারানোর ভয় নেই। বাড়ির অন্য সদস্যের জন্য পাপোস বা ফুলের টবে চাবি লুকিয়ে রাখতেও হবে না। স্মার্ট লকে চেনা মানুষের আঙুলের ছাপ, পিন কোড বা মোবাইল অ্যাপ জুড়ে দেওয়া থাকলে, তা দিয়েই দরজা খোলা যাবে। প্রয়োজন পড়লে নিজে বাড়িতে না থাকলে এবং অন্য কোনও পরিচিতকে বাড়িতে প্রবেশের অনুমতি দিতে চাইলে ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড দিয়ে দিলেই হবে।
৫. এয়ার পিউরিফায়ার
শহুরে বাড়িতে এটি প্রয়োজন। বিশেষ করে যেখানে দূষণের মাত্রা বেশি। বিজ্ঞান বলছে, সিগারেটের ধোঁয়ার থেকেও ফুসফুসের বেশি ক্ষতি করে বাতাসের উচ্চমাত্রার একিউআই। এই যন্ত্র ঘরের বাতাসের একিউআই মান রিয়েল টাইমে অ্যাপে দেখায়। ঘরের বাতাস অতিরিক্ত দূষিত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিল্টারিং মোড বাড়িয়ে দেয়। অটোমোশন সেট করে রাখলে ঘুমের সময়েও নিঃশব্দে কাজ করে বাতাসের শুদ্ধতা বজায় রাখে।