রোজ ঘর মোছা হয়। জলে যদি যথেষ্ট কাজ না হয়, তা হলে তাতে অল্প গুঁড়ো সাবান এবং ফিনাইলও মেশানো হয়। নিজে মুছুন বা পরিচারিকা, ঘরের মেঝে ঝকঝকে রাখার জন্য অতীব কসরত করতে হয়। কিন্তু তার পরেও চা-কফির দাগ, জমা ময়লার ছোপ পড়েই থাকে। ধুলোময়লা দূর হলেও কিছুতেই নতুনের মতো হয় না যেন। তা হলে ঘর পরিষ্কারের পন্থায় ভুল রয়ে যাচ্ছে না তো? এত বছর ধরে যে ভাবে ঘর মুছছেন, তা বদলালে বোধ হয় উপকৃত হবেন আপনি। সপ্তাহে এক দিন অন্তত নয়া পদ্ধতিতে ঘর পরিষ্কার করতে হবে।
কোন পদ্ধতিতে ঘর পরিষ্কার করবেন? ছবি: সংগৃহীত।
এত দিন যে ভাবে ঘর পরিষ্কার করেন, সেই পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ সাফসুতরো না হওয়ার বিশেষ কারণ রয়েছে। ঘরের মেঝেতে সারা দিন ধরে পায়ের ছাপ পড়ে, ধুলো জমে, নোংরা হয়। তার পর শুধু জল ও সাবান দিয়ে মুছলে সেই ময়লাগুলি পাতলা হয়ে মেঝের সঙ্গে আরও লেপ্টে যায়। মেঝে থেকে উঠতে পারে না সেগুলি। এই কারণেই মেঝে তেলচিটে হয়ে থাকে।
তাই মেঝে মোছার আগে একটি বিশেষ ধাপ দরকার। না, ঝাঁটা দিয়ে ঘর ঝাঁট দেওয়া নয়। কিন্তু সে রকমই এক কৌশল প্রয়োগ করতে হবে। তা হল, শুষ্ক মেঝে মোছা। তার জন্য প্রয়োজন কেবল দু’টি উপকরণ। নুন এবং বেকিং সোডা।
টাইলস এবং মার্বেলের মেঝের জন্য উপযুক্ত এই পন্থায় প্রথমে সমপরিমাণ নুন এবং বেকিং সোডা মিশিয়ে নিতে হবে। তার পর স্ক্রাবার নিয়ে এই মিশ্রণের সাহায্যে মেঝে ঘষতে হবে। নুন মেঝে থেকে জেদি ময়লা তুলে ফেলবে। বেকিং সোডা তেলচিটে ভাব দূর করবে। শেষে ঝাঁটা দিয়ে নুন-বেকিং সোডা তুলে ফেলুন। এর পর ঈষদুষ্ণ জলে সাবান ও ফিনাইল মিশিয়ে ঘর মুছতে হবে। সাবান ও তেলচিটে ভাব লেগে থাকলে গরম জল সে সব তুলে ফেলতে পারবে। প্রতি সপ্তাহে এক বার এই পরিশ্রম করলে ঘর আগের তুলনায় বেশি পরিষ্কার হতে পারে।