ভাত গলে ফেনা হয়ে যাবে, সেই ভাতে একটু ঘি ফেলে নুন দিলেই দারুণ খাওয়া হয়। প্রেশার কুকারে এমন ফেনাভাত দারুণ রাঁধা যায়। তবে সেই প্রেশার কুকারেই ঝরা ভাত রাঁধতে গেলেই ঘটে বিপত্তি। জল যদি বেশি হয়, ভাত গলে মণ্ড পাকিয়ে যায়।
অথচ ঝরা ভাত মানে, তা হবে নরম, প্রতিটি দানা আলদা আলাদা থাকবে। হতে হবে ঝরঝরে। এমন ভাত প্রেশার কুকারে কী ভাবে বানাবেন?
· ভাত ঝরঝরে করতে চাইলে প্রথম ধাপটি হল স্টার্চ বা শ্বেতসার বাদ দেওয়া। চাল ধুয়ে চলে ভিজিয়ে রাখলে জল খানিক ঘোলা দেখায় খানিক পরে। এটি চালে থাকা স্টার্চের জন্য। এর জন্য ভাত আঠালো হয়। রান্নার আগে আধ ঘণ্টা চাল ভিজিয়ে রাখা জরুরি।
আরও পড়ুন:
· চাল এবং জলের মাপ গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি, যে চালে ভাত রান্না হবে, সেটি কতটা ফোটে তা-ও জানতে হবে। সাধারণত বাসমতী বা দেরাদুন চাল রান্না হতে খুব বেশি সময় লাগে না। আবার কোনও কোনও সেদ্ধ চালে বাড়তি সময় লাগে। চালের মান বুঝে জল দিতে হবে। মোটামুটি এক কাপ চালের জন্য দেড় কাপ জল লাগে। তা থেকে একটু কম-বেশি হতে পারে।
· কতটা চালের ভাত হচ্ছে, তার উপর নির্ভর করে একটি না দু’টি সিটি পড়বে। অল্প ভাত হলে একটি সিটি দিয়ে আঁচ বন্ধ করে প্রেশার কুকার রেখে দিন। প্রেশার কুকারের ভিতরে যে ভাপ জমে থাকে, তাতেও চাল খানিক সেদ্ধ হয়।
· এক বা দুই বার চালের মান এবং জলের মাপ নিয়ে অসুবিধা হতে পারে। তবে একটু খেয়াল করলেই প্রেশার কুকারে ঝরঝরে পোলাওয়ের মতো সুন্দর ভাতও বানানো যাবে।