মিষ্টির মরসুম। তার মধ্যে ঠিক করেছেন, মিষ্টি খাওয়া পুরোপুরি ছাড়বেন। কারণ, বাড়তে থাকা পেটের চর্বি পোশাকের বাধা মানছে না আর। কিন্তু ছাড়ব বললেই ছাড়া যায় নাকি? তার জন্য বিস্তর পরিশ্রম এবং হার না মানা মানসিকতাও দরকার। আর দরকার সচেতনতা। অনেক সময় সরাসরি মিষ্টি না খেয়েও শরীরে গ্লুকোজ় বেশি পরিমাণে যেতে পারে। সচেতন হলে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। চিনি থাকবে দূরে।
১. নরম পানীয় বর্জন করুন
নরম পানীয় খাওয়ার অভ্যাস প্রথমেই বন্ধ করুন। নরম পানীয়, এনার্জি ড্রিংকস, প্যাকেটজাত ফলের রস এবং অতিরিক্ত চিনিযুক্ত চা-কফির মাধ্যমে শরীরে চিনি যায় বেশি। এসবের পরিবর্তে প্রচুর জল, ডাবের জল, চিনি ছাড়া গ্রিন টি বা লেবুর শরবত পান করার অভ্যাস করুন।
২. প্যাকেটের গায়ের লেবেল দেখে কিনুন
অনেক সময় স্বাস্থ্যকর ভেবে কেনা খাবারেও চিনি থাকে। টম্যাটো পিউরি, কর্নফ্লেক্স, ফ্লেভার্ড ইয়োগার্টে প্রচুর চিনি থাকে।
৩. রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট বাদ দিন
পাউরুটি, সাদা চালের ভাত, পাস্তা বা ময়দা দিয়ে তৈরি খাবারে সরাসরি চিনি না থাকলেও এগুলো শরীরে গিয়ে দ্রুত গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়। এর বদলে লাল চাল, লাল আটা, ওটস বেছে নিন। এতে ফাইবার বেশি থাকে যা রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
৪. ফল বা শুকনো মেওয়া খান
মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছে কমাতে হলে বিস্কুট বা কেক না খেয়ে মিষ্টি ফল, যেমন— কলা, আপেল বা খেজুর, কিশমিশ ইত্যাদি খান। এগুলিতে ফাইবার থাকায় রক্তে শর্করা আচমকা বাড়তে দেবে না।
৫. প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বাড়ান
খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন রাখুন। ডাল, ডিম, মাছ, মাংস এবং বাদামের মতো স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খান। এতে পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা থাকে। ফলে ঘন ঘন মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা কমে।