রঙের উৎসব হোক আনন্দের। তাই রাসায়নিক নয়, বরং ছোটদের রং খেলার জন্য হেঁশেলের উপকরণ দিয়েই বানিয়ে ফেলুন আবির থেকে রং। কৌশল সহজ। খাটনিও তেমন নয়। কয়েক ঘণ্টা হাতে থাকলেই হবে।
হলুদ রঙের জন্য: কাঁচা হলুদ ত্বক-বান্ধব। ঘরোয়া রূপচর্চার জগতে তার আধিপত্য চির দিনের। হলুদ টুকরো করে কেটে জলে ফুটিয়ে নিন। গুঁড়ো হলুদেও রং বানানো যায়। কাঁচা হলুদ জলে ফুটিয়ে নিয়ে জল একটু ঠান্ডা হলে, এতে মিশিয়ে নিন ঠান্ডা জলে গুলে রাখা কর্নফ্লাওয়ার। হলুদ এবং কর্নফ্লাওয়ার ভাল করে মিশিয়ে আঁচ কম রেখে ফুটিয়ে নিন। মিশ্রণ ঘন হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। এই পর্যায়ে মিশিয়ে নিতে পারেন পছন্দের কোনও এসেনশিয়াল অয়েল ১-২ ফোঁটা। গন্ধ না চাইলে তা বাদও দেওয়া যায়। ঘরের তাপমাত্রায় মিশ্রণটি এলে রোদে রেখে শুকিয়ে নিন। তার পর মিশ্রণটি মিক্সারে দিয়ে গুঁড়িয়ে নিন। তা হলেই তৈরি হয়ে যাবে হলুদ আবির। ছোটরা পিচকারিতে রং ভরে ছোড়ে অনেক সময়। তখন শুধু জলে হলুদ গুলে দিলেই চলবে।
আরও পড়ুন:
লাল রঙের জন্য: লাল রঙের জন্য বিট টুকরো করে মিক্সারে ঘুরিয়ে রস ছেঁকে নিন। তার মধ্যে একটু একটু করে কর্নফ্লাওয়ার মেশাতে থাকুন যতক্ষণ না ঘন হয়। মিশ্রণটি একটি থালায় পাতলা করে ঢেলে দিয়ে রোদে শুকিয়ে নিন। শুকিয়ে যাওয়ার পরে মিক্সারে গুঁড়িয়ে নিন। বিট ত্বকের জন্য খুব ভাল। ত্বকের জেল্লা ফেরাতে কাজে আসে।
কমলা রঙের জন্য: গাজর নিন ৩ ভাগ, এক ভাগ বিট। সব্জি মিক্সারে ঘুরিয়ে রস ছেঁকে নিন। তার মধ্যে মেশান কর্নফ্লাওয়ার। অনেকটা পরিমাণেই মেশাতে হবে। যোগ করুন পছন্দের এসেনশিয়াল অয়েল। মিশ্রণটি ভাল করে রোদে বা খোলা জায়গায় রেখে শুকিয়ে নিন।
সবুজ রঙের জন্য: পালং শাক জলে ধুয়ে বেটে রস বার করে নিন। পন্থা একই, অনেকটা কর্নফ্লাওয়ার সবুজ রসে ধীরে ধীরে মেশাতে হবে। তার পরে মিশ্রণটি শুকিয়ে গুঁড়িয়ে নিলেই মিলবে সবুজ রং।