স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরি হতেই, খাদ্যতালিকায় বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে কুমড়োর বীজ। হবে না-ই বা কেন, সামান্য একটি বীজের পুষ্টিগুণ নেহাত কম নয়। হার্ট থেকে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। কুমড়ো বীজে মেলে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম, যা স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য খুব জরুরি। এ ছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন ই, কে, বি। এ ছাড়াও রয়েছে জ়িঙ্ক, আয়রন, কপার। স্বাস্থ্যকর ফ্যাটে পূর্ণ এই বীজে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট।
কুমড়োর বীজ দিয়ে বানিয়ে নিন মুখরোচক খাবার। ছবি:সংগৃহীত।
পুষ্টিকর এই খাবার অনেকে যেমন প্রাতরাশে ওট্স বা স্যালাডে মিশিয়ে খান, তেমনই সন্ধের মুখরোচক খাবার হয়ে উঠতে পারে এটিই। কাঁচা কুমড়ো বীজ, ভাজার সময়ে তাতে যোগ করুন বাড়তি স্বাদ।
আরও পড়ুন:
পেরি পেরি মশলা: সাদা কুমড়ো বীজের বাইরের খোলাটি শক্ত। সেটি ছাড়ালে সবুজ একটি দানা পাওয়া যায়। খাওয়া যায় সেটিই। বাজার থেকে কাঁচা অবস্থায় কুমড়োর বীজ কিনে আনুন। সেটি রোস্ট করা বা ভাজার সময় যোগ করতে পারেন পেরি পেরি মশলা। কড়াইয়ে এক ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল বা সাদা তেল দিন। তেল গরম হলে মিশিয়ে নিন পেরি পেরি মশলা এবং স্বাদমতো নুন। এর মধ্যে আধ কাপ কুমড়ো বীজ দিয়ে আঁচ কমিয়ে নাড়াচাড়া করুন, যত ক্ষণ না তা মুচমুচে হয়। এই ভাবে বানিয়ে কাচের কৌটোবন্দি করে ভরে রাখুন। প্রতি দিন অল্প অল্প করে এটি খেতে পারেন।
মিষ্টি বীজ: যদি একটু মিষ্টি স্বাদ পছন্দ হয়, তা হলে জুড়তে পারেন মধু বা গুড়। তবে দারচিনির গুঁড়ো স্বাদের সঙ্গে গন্ধও যোগ করবে। কড়াইয়ে ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল নিয়ে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। যোগ করুন ১ টেবিল চামচ গুড় বা মধু। এ বার কুমড়োর বীজ দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন।
নুন-গোলমরিচ: নুন আর গোলমরিচ দিয়ে কুমড়ো বীজ হালকা ভেজে নিলেও বাড়তি স্বাদ মিলবে। ১ টেবিল চামচ ঘি বা অলিভ অয়েল নিন। যোগ করুন স্বাদমতো নুন এবং গোলমরিচ। তার পরে কুমড়োর বীজ দিয়ে আঁচ কমিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন।