পার্টির জমকালো আলো হোক বা বিয়েবাড়ির ঝাড়বাতির ঔজ্জ্বল্য... তার নীচে নিজেকে আড়াল করা কঠিন। তার মাঝেও যদি আপনিই হয়ে উঠতে চান নজরকাড়া, তা হলে শুধু সাজপোশাকই শেষ কথা নয়। দরকার পোশাক বুঝে ঠিক মেকআপ। ভিড়ের মাঝেও অনন্যসাধারণ হতে চাইলে এখন ভরসা ইলিউমিনেটিং মেকআপ। এই মেকআপ নজর তো কাড়বেই, একই সঙ্গে গ্ল্যামার চুঁইয়ে পড়বে চিকন ত্বক থেকে। অথচ তা কোথাও লাগবে না কৃত্রিম। ন্যাচারাল লুকের মাঝেও ইলিউমিনেশন ধরে রাখতে তাই দরকার এই ধরনের মেকআপের। কী ভাবে করবেন মেকআপ? রইল সবিস্তার।

• শুরু করা যাক প্রাইমার দিয়ে। তবে বাছুন ইলিউমিনেটিং প্রাইমার। এতে ত্বকের উপরে মসৃণ এক পরত পড়বে। ফলে মেকআপ করা সহজ হবে, আবার কৃত্রিম প্রসাধনীর কোপ সরাসরি পড়বে না ত্বকেও। ত্বক ময়শ্চারাইজ় করে নিন। আঙুলের ডগায় প্রাইমার নিয়ে গাল, কপাল, নাক, চিবুকে লাগান। আলতো হাতে গোটা মুখে তা ব্লেন্ড করে নিন।

• ত্বকের নানা দাগছোপ উধাও করার কাজটা করবে ফাউন্ডেশন ও কনসিলার। প্রথমে ইলিউমিনেটিং ফাউন্ডেশন ও পরে কনসিলার লাগিয়ে নিন। ডার্ক সার্কল, পিম্পলের মতো দাগ ঢাকা পড়বে।

• এই মেকআপ হাইলাইটার ছাড়া অসম্পূর্ণ। হাতে কয়েক ফোঁটা লিকুইড হাইলাইটার নিয়ে চিকবোন থেকে নাক অবধি লাগান। আস্তে আস্তে মিলিয়ে দিন ত্বকে। চাইলে এর সঙ্গেই মিশিয়ে নিতে পারেন ফাউন্ডেশন। লিকুইড হাইলাইটারে স্বচ্ছন্দ না হলে ব্লাশারও ব্যবহার করতে পারেন।

• এ বার বেস মেকআপ। এমন ফেস পাউডার বাছুন, যাতে শিমার রয়েছে। ত্বকের রং ও ধরন অনুযায়ী শিমারিং ফেস পাউডার লাগান। এতে ফাউন্ডেশন ও কনসিলার সেট হবে, আবার ত্বকও উজ্জ্বল হবে।

• চোখের মেকআপের সময়ে যেন ভিতরের দিকের কোণ বেশি হাইলাইট করা হয়। গাঢ় মাস্কারা লাগাতে পারেন। গভীরতা চাইলে স্মোকি আইজ় করতে পারেন।

• চিকবোন হাইলাইট করার জন্য ব্রাশে ইলিউমিনেটিং পাউডার নিন। গাল দুটো মুখের ভিতরে টেনে হাইলাইটার লাগান।

• এখানেই শেষ নয়। এর পরে ব্রাশ অন ব্লাশ। কমপ্লেকশন অনুযায়ী ব্লাশার বেছে লাগান গালে। তবে ব্রাশ দিয়ে টেনে টেনে ত্বকে মিলিয়ে দিতে ভুলবেন না যেন।

• ইলিউমিনেটিং মেকআপের শেষ অংশ লিপস্টিক বা লিপগ্লস। পছন্দ মতো শেডের স্টিক বা গ্লস লাগান ঠোঁটে।

এ বার আয়নার সামনে দেখুন, ত্বকের ঔজ্জ্বল্যে ঝাড়বাতিও ম্লান লাগছে তো?