চুল নিয়ে হাজার চিন্তাভাবনা, গবেষণা চলে। সুন্দর ত্বক কী ভাবে পাওয়া যাবে, চুল পড়া কী ভাবে বন্ধ হবে, খুসকি কী ভাবে দূর হবে, সারা বছরই চুলের সমস্যায় কাহিল সকলেই। যাঁকেই জিজ্ঞাসা করবেন, চুলের হাজার সমস্যার কথা অনর্গল বলে যাবেন। নিজের মাথার চুল নিয়ে বোধহয় কেউই নিশ্চিন্ত হতে পারেন না।

হবে নাই বা কেন! চুলের সুস্বাস্থ্য এবং মুখের সঙ্গে মানানসই হেয়ারস্টাইল কমবেশি সকলেরই সুন্দর চেহারার সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে রয়েছে। তবে একটা বিষয় এখানে বলতেই হবে, শুধু নানা রকম হেয়ারস্টাইলই নয়, নানা রকম বেয়ার্ডস্টাইলও এখন ফ্যাশনের অঙ্গ।

হলি-বলি সেলেব থেকে শুরু করে খেলার দুনিয়ার তারকারাও দাড়ির নানা রকম ছাঁট দিয়ে থাকেন। আর আমরা তাঁদের অনুসরণ করি। কিন্তু শুধু স্টাইল করলেই তো হল না, স্বাস্থ্য বজায় রাখতে চুলের মতো দাড়িরও যত্নের প্রয়োজন।

পার্লারে গিয়ে টাকা খরচ না করে ঘরোয়া উপায়ে দাড়ির যত্ন কী ভাবে নেবেন জেনে নিন:

আরও পড়ুন: চোখের পলকে চকচকে জুতো থেকে ঝকঝকে গয়না, আপনার টুথপেস্টের এত গুণ আগে জানতেন?

ইউক্যালিপটাস তেল: বাজারে ইউক্যালিপটাস তেল সহজেই কিনতে পারবেন। এই তেল অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল। দাড়ি দ্রুত বড় হতেও সাহায্য করে।

ছয় চা চামচ অলিভ অয়েলের সঙ্গে ২-৩ ফোঁটা ইউক্যালিপটাস অয়েল ভাল করে মিশিয়ে নিন। তারপর সেটা দাড়িতে হালকা হাতে মাসাজ করে লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

নারকেল তেল: বাড়িতে যদি খাঁটি নারকেল তেল পাওয়া যায়, তার বিকল্প নেই। একটা ছোট বোতলে নারকেল তেল ভর্তি করুন। তাতে ১০ ফোঁটা রোজমেরি অয়েল মিশিয়ে রাখুন। রোজ রাতে শোওয়ার সময় দাড়িতে প্রয়োজনমতো লাগিয়ে নিন। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন।

আরও পড়ুন: ওজন কমানো থেকে লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষা, জেনে নিন জিরের গুণাগুণ

টি ট্রি অয়েল: খুব ভাল ময়শ্চারাইজার। গন্ধটাও খুব সুন্দর। দু’ফোঁটা ইউক্যালিপটাস অয়েলের সঙ্গে দু’ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে রাখুন। রোজ স্নানের ১৫ মিনিট আগে ভাল করে দাড়িতে লাগিয়ে রাখুন।

সাইট্রাস অয়েল: ২০ মিলিলিটার আমন্ড অয়েলের সঙ্গে, পাঁচ মিলিলিটার জোজোবা অয়েল মিশিয়ে নিন। তাতে ২-৩ ফোঁটা সাইট্রাস অয়েল ভাল করে মিশিয়ে নিন।

দাড়ির জন্য এটাও খুব উপকারী। দিনের যে কোনও সময়ে ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দাড়ির পাশাপাশি ত্বককেও উজ্জ্বল করে এই তেলগুলো।