Advertisement
E-Paper

বিদ্যুৎ খরচ বাঁচাতে পারে ফ্রিজের দরজায় থাকা বিশেষ রাবার! কী ভাবে তা জেনে নিন

ফ্রিজ ব্যবহারের সময় তেমন চোখে পড়ে না, তবে দরজায় থাকা রাবারের ফ্রেমের মতো জিনিসটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফ্রিজ ঠান্ডা রাখা থেকে বিদ্যুৎ বাঁচাতে কাজ করা এই জিনিসটির নাম জানেন? কী ভাবে এটি কাজ করে?

শেষ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ১১:০২

ফ্রিজ খুলুন বা ডিপ ফ্রিজ, পাল্লার চারধারে রাবারের নমনীয় কাঠামোটি চোখে পড়েছে কি? দরজার ভিতরের দিকে লাগানো জিনিসটি অনেকটা ফ্রেমের মতোই। একেই বলা হয় গ্যাসকেট। ফ্রিজ ব্যবহারের সময় এই গ্যাসকেটের দিকে তেমন ভাবে কারও নজর পড়ে না বটে, কিন্তু রাবারের এই নমনীয় জিনিসটি ফ্রিজের বিদ্যুৎ খরচ বাঁচাতেও সাহায্য করে।

গ্যাসকেটের কাজ

রাবার, সিলিকন বা পিভিসি দিয়ে তৈরির গ্যাসকেটের কাজ হল ফ্রিজের দরজা বন্ধ করার পর বাইরের বাতাসকে ঢুকতে বাধা দেওয়া। দরজা বন্ধ হলেও ফাঁক দিয়ে বাইরের বাতাস প্রবেশ করতে পারে। আর গ্যাসকেট কাজ করে বায়ুনিরোধী সিলের মতোই।

Advertisement

ফ্রিজ ঠান্ডা রাখতে ভূমিকা

ফ্রিজ ঠান্ডা থাকে বিদ্যুৎচালিত যন্ত্রের সাহায্যে। কিন্তু সেই ঠান্ডা যদি বাইরে বেরিয়ে যায়, তা হলে ফ্রিজ অকেজো হয়ে যাবে। ফ্রিজের ভিতরের ঠান্ডা যাতে বেরোতে না পারে এবং বাইরের গরম বাতাস ভিতরে ঢুকতে না পারে, সেই কাজটিই করে গ্যাসকেট।

এটি হল ফ্রিজের গ্যাসকেট।

এটি হল ফ্রিজের গ্যাসকেট। ছবি:সংগৃহীত।

বিদ্যুৎ বাঁচাতে

বায়ুনিরোধী সিলের জন্যই ফ্রিজের ভিতরের তাপমাত্রা স্থিতিশীল থাকে, কম্প্রেসর বা যন্ত্রের উপর চাপ কম পড়ে। স্বাভাবিক ভাবেই বিদ্যুৎও কম পোড়ে। সে কারণেই বলা হয়, বার বার ফ্রিজ খোলা-বন্ধ করলে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়। কারণ, দরজা খোলা মানেই বাইরের গরম হাওয়া প্রবেশ করে ফ্রিজের ঠান্ডা কমিয়ে দেয়। ফলে ফ্রিজের ভিতরের অংশকে ঠান্ডা রাখতে যন্ত্রের উপরেও চাপ পড়ে।

গ্যাসকেটের যত্ন

অনেক দিন ব্যবহারের পরে গ্যাসকেট আলগা হয়ে যায়। তখন দেখা যায় ফ্রিজ আর আগের মতো ঠান্ডা থাকছে না। বন্ধ করার পরেও ফ্রিজের পাল্লাটি ফাঁক হয়ে থাকলে বুঝতে হবে গ্যাসকেটটি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তা বোঝারও কৌশল আছে। ফ্রিজের দরজা বন্ধ করার পর একটি কাগজ সেখানে প্রবেশ করানো চেষ্টা করুন। গ্যাসকেট নষ্ট বা আলগা হয়ে গেলে দরজা ঠিকমতো বন্ধ হবে না, ফলে কাগজটি ঢুকে যাবে।

ফ্রিজের এই গুরুত্বপূর্ণ সিলটিকে অনেক দিন পর্যন্ত ভাল রাখতে হলে, তারও যত্ন জরুরি। গ্যাসকেটের গায়ে ক্রমাগত ময়লা জমতে থাকলে এর কার্যকারিতা কমে যাওয়া স্বাভাবিক। তখন পাল্লা আর শক্ত ভাবে বন্ধ হবে না। মাসে অন্তত একবার ঈষদুষ্ণ জলে কাপড় ভিজিয়ে গ্যাসকেটটি পরিষ্কার করে নিন।এতে রাবারের মান ভাল থাকবে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy