গ্রীষ্মের বাজার ছেয়ে গিয়েছে তরমুজে। সবুজ ফলটি কাটলেই বেরিয়ে আসে উজ্জ্বল লাল রঙের শাঁস। বেশ মিষ্টিও বটে। গ্রীষ্মকালীন এই ফলের বিশেষত্বই হল, এর সিংহভাগ জল। আর আছে ভিটামিন-খনিজ। গরমের দিনে ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা তরমুজ মুখে দিলেই প্রাণ জুড়িয়ে যায়। এবার তা দিয়েই বানিয়ে ফেলুন মিমোসা থেকে সালসা, গোলা। তালিকায় থাকবে আর কী?
মিমোসা
তরমুজের রস দিয়ে বানান মিমোসা। ছবি:সংগৃহীত।
গরমে প্রাণ জুড়োনো পানীয় ছাড়া কি পার্টি জমে? তাই থাক মিমোসা। তরমুজের শাঁস টুকরো করে মিক্সারে ঘুরিয়ে ছেঁকে নিন। যোগ করুন এক চিমটে সৈন্ধব লবণ এবং পাতিলেবুর রস। মিহি করে কুচিয়ে রাখুন তরমুজের শাঁস। এ বার কাচের ওয়াইন পাত্রে কয়েক টুকরো তরমুজের শাঁস দিয়ে, রসটি ঢেলে দিন। যোগ করুন কিছুটা সোডা-জল এবং বরফকুচি। তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু মকটেল তরমুজের মিমোসা।
আরও পড়ুন:
সালসা
তরমুজ দিয়ে তৈরি করতে পারেন সালসা। ছবি:সংগৃহীত।
ছোট ছোট চৌকো করে তরমুজ, শসা, একটু শক্ত কিন্তু পাকা আম কুচিয়ে নিন। যোগ করুন পেঁয়াজকুচি, কাঁচালঙ্কাকুচি। দিয়ে দিন পাতিলেবুর রস, নুন, ভাজা মশলা বা চাটমশলা আর অলিভ অয়েল। সালসা দিয়ে খাওয়ার জন্য পাশে সাজিয়ে রাখুন নাচোস।
তরমুজের বরফ গোলা
তরমুজের গোলা ছোট থেকে বড় সকলেরই পছন্দ হবে। ছবি:সংগৃহীত।
তরমুজ বড় বড় টুকরোতে কেটে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন যাতে বরফের মতো জমে যায়। তার পরে গ্রেটার দিয়ে তরমুজ গ্রেট করে নিয়ে সৈন্ধব লবণ, পাতিলেবুর রস মিশিয়ে দিন। রাস্তায় যে গোলা বিক্রি হয় তার মতো আকার দিয়ে কাঠি আটকে দিন। কিংবা সুদৃশ্য কাচের ছোট ছোট বাটিতে তরমুজের গোলা রেখে উপর থেকে রুহ্ আফজ়া ছড়িয়ে দিন।
তরমুজ বাইট
তরমুজ বাইট থাকলে জমে যাবে পার্টি। ছবি: ইন্টারনেট
তরমুজের শাঁস একটু মোটা করে বর্গাকারে কেটে নিন। তার উপর দিতে হবে চিজ়, দইয়ের পরত। জল ঝরানো টক দই, ফেটা চিজ়, পেঁয়াজ, শসা কুচি মিশিয়ে নিন। যোগ করুন স্বাদ মতো নুন। চৌকো করে কাটা তরমুজের উপরে দই, চিজ়ের মিশ্রণটি দিন। উপর থেকে টক-মিষ্টি চাটনি অল্প করে ছড়িয়ে, চাটমশলা দিয়ে দিন। মুখে দিলেই নানা স্বাদের মিশ্রণ টের পাওয়া যাবে।
তরমুজ মশলা স্টিক
তরমুজগুলিকে তিনকোনা কিন্তু একটু লম্বা করে কেটে আইসক্রিমের কাঠি আটকে দিন। একটি পাত্রে সৈন্ধব নুন, লঙ্কার গুঁড়ো, চাটমশলা মিশিয়ে রাখুন। কাঠিতে আটকানো তরমুজের উপরে পাতিলেবুর রস ছড়িয়ে মশলা মাখিয়ে নিন।