Advertisement
E-Paper

কথায় কথায় ‘থ্যাঙ্ক ইউ’ বলা নয়, খুদেকে প্রকৃত অর্থে কৃতজ্ঞ হতে শেখাবেন কী ভাবে?

ধন্যবাদ জ্ঞাপন হোক মন থেকে। ধন্যবাদ শুধু বলার জন্য নয় তা কৃতজ্ঞতার ভাষা, বড় হওয়ার সময়েই তা বোঝাতে পারেন সন্তানকে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৩৪
শিশুকে কৃতজ্ঞতার মতো ভারী শব্দের অর্থ বোঝান সহজে।

শিশুকে কৃতজ্ঞতার মতো ভারী শব্দের অর্থ বোঝান সহজে। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

ছোট্ট রিয়াকে দাদু চকোলেট দেওয়ার পরে, তার মা শিখিয়ে দিলেন দাদুকে ‘থ্যাংক ইউ’ বলতে। সে কথা বলল বটে সে, কিন্তু কেন বলল, তা বুঝল কি?

বহু স্কুলে খুদের আচার-আচরণ দিয়ে শিক্ষা দেওয়া হয়। ছোট থেকেই তাদের শেখানো হয় কেউ কিছু দিলে ধন্যবাদ বলতে। কিন্তু ধন্যবাদ তো কেবল বলার জন্য নয়, তা কোনও অভ্যাসও নয়। তা কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা। এমন ভারী শব্দের অর্থ সন্তানকে বোঝাবেন কী ভাবে?

‘ধন্যবাদ’ মুখে বলা আর কারও প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়ার তফাত অনেকটাই। ধন্যবাদ শুধু বলার জন্যই বলে শিশুরা। কিন্তু কৃতজ্ঞতার পিছনে থাকে উষ্ণ অনুভূতি। উপহার না পেলেও কাউকে ধন্যবাদ বলা যায়, সেটাই তাকে বোঝানো যেতে পারে। দিনভর মা সন্তানের জন্য রান্না করেন, খাওয়ান, তার ছোটখাটো প্রয়োজন মেটান, সব সময় আগলে রাখেন। খুব ছোট শিশু সেটা না বুঝলেও যখন থেকে বড় হচ্ছে, সেই সময়েই কিন্তু মা কিংবা বাবার পরিশ্রম, তার বড় হওয়ার জন্য তাঁরা কী কী করেন বুঝিয়ে বলা যায়। ছোট হলেও তারা কিন্তু অনেক কিছুই বোঝে। মা-বাবার পরিশ্রমের কথা একটু একটু করে বুঝতে পারলেও, তার মনে অভিভাবকদের প্রতি ভালবাসা, কৃতজ্ঞতার অনুভূতিগুলি স্পষ্ট হবে।

প্রকাশভঙ্গিমা: শুধু মুখে ধন্যবাদ বলা নয়, অন্য কেউ যখন সাহায্য করেন, পাল্টা তাঁকে সাহায্য করাও হতে পারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা। খুদেকে ছোট থেকেই শেখাতে পারেন অন্যের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে। কোনও একদিন বন্ধুর থেকে সাহায্য পেলে সন্তানকে শেখাতে পারেন, সে-ও যেন অন্যের পাশে থাকে।

প্রাপ্তির অনুভূতি: এটা-ওটা চাই বলে বায়না করে ছোটরা। অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের মনে ক্ষোভ থাকে। তার প্রাপ্তিটাও যে কম নয়, সেটাই তাকে উদাহরণ দিয়ে বোঝানো যায়। সন্তানকে সাহায্যের মানে বোঝাতে এমন কোনও শিশুর পাশে দাঁড়াতে বলতে পারেন, যার কোনও রকম সহায়তার প্রকৃত প্রয়োজন।

অচেনা মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা: রোদে গরমে ঘেমে বা নিশুত রাতে যখন ডেলিভারি বয় এসে খাবার, জরুরি জিনিস দিয়ে যান, সন্তানকে তা-ও দেখান। বোঝান, সেই মানুষটি কষ্ট করে খাবার বা প্রয়োজনের জিনিসটি দিয়ে না গেলে কিন্তু পছন্দের খাওয়া হত না। সেই মানুষটির পরিশ্রমের গুরুত্ব বোঝালে শিশু মনে মনেই অন্যের প্রতি কৃতজ্ঞ হতে শেখাবে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy