কেউ খাচ্ছেন কার্বোনেটেড পানীয় দিয়ে নুডল্স, কেউ আবার গরম মুচমুচে ভাজা সসের বদলে আইসক্রিমে ডুবিয়ে নিচ্ছেন। নতুন নতুন জুটি, নতুন রকম স্বাদ। কারও কাছে উদ্ভট, কারও কাছে মজার, কারও কাছে আবার স্বাদ বদলেরও।
সমাজমাধ্যমের দৌলতে এমন নিত্যনতুন খাবারের ধারণা প্রায়ই জনপ্রিয় হচ্ছে। সেই তালিকায় জায়গা করে নিয়ে চা এবং ইডলি। একজন নেট মাধ্যমে দুধ চায়ের সঙ্গে ইডলির ছবি দিয়েছেন। তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। অনেকেই তাঁদের মত সমাজমাধ্যমে তুলে ধরেছেন। আর সেই আলোচনা অন্য মাত্রা পেয়েছে রাজনীতিক, কংগ্রেস সাংসদ শশী তরুরের মন্তব্য।
শশী বড় হয়েছেন ভারতের নানা প্রান্তে। তবে তিনি আদতে কেরলের বাসিন্দা। দক্ষিণ ভারতীয় খাবার খেতে পছন্দ করেন তিনি। ইডলির মতো খাবার তিনি ছোট থেকেই খেয়ে অভ্যস্ত। কংগ্রেসি রাজনীতিকের কিন্তু চা-ইডলির জুটি পছন্দ হয়নি। তিনি বলেছেন, চা তাঁর খুবই প্রিয়। তবে ইডলি চায়ের সঙ্গে নয়, আলাদা ভাবে খেলেই বেশি ভাল লাগবে।
ইডলি এবং চায়ের যে ছবিটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, ইডলিটি কিছু হলদেটে। তা দেখে মোটেই খুশি হননি শশী। পোস্টে লিখেছেন, ‘‘সত্যি বলতে কি, ইডলিটি দেখেই মনে হচ্ছে একটু শক্ত।এই রকম রঙের ইডলি দেখলে ঠিক খেতে ইচ্ছা হয় না।নরম, সাদা ইডলির আলাদাই মজা আছে।’’
ইডলি নিয়ে সমাজমাধ্যমে নানা রকম ভাবনা, মন্তব্য রয়েছে। তেমনই আর এক নেট মাধ্যম ব্যবহারকারীকেও ইডলি নিয়ে জবাব দিয়েছে শশী। কিন্তু ইডলি এবং দুধ চা কি সত্যি খাওয়া চলে না? প্রশ্ন শুনে কলকাতা নিবাসী পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিক বলছেন, ‘‘ইডলি ফারমেন্টেড বা মজানো খাবার। তার সঙ্গে দুধ চা খেলে অম্বল হতেই পারে।’’
মাঝে মধ্যেই কংগ্রেস নেতার কৌতুকবোধ, রসবোধ আলোচনায় এসেছে। ইডলি নিয়ে মজা করা অন্য এক নেটমাধ্যম ব্যবহারীকেও সরস জবাব দিয়েছেন তিনি। কেউ একজন একটি ইডলি সমান ভাবে কয়েকটি টুকরো করে বলেছিলেন, এমন সুন্দর কাটার জন্য নম্বর দিতে। তাতেই শশীর উত্তর, ‘‘ একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার যখন হেঁশেলে গিয়ে তথ্য ভাগ করেন, এমনই হয়। একে ইডলি বলে, ইড-স্লাইস নয়। এই ভাবে কেউ ইডলি খান না।’’
এই ভাবে ইডলি নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার একাধিক সরস জবাব দিয়েছেন শশী।