চকোলেট হোক বা মিষ্টি, স্যালাড হোক বা শরবত, যে কোনও খাবারেই কয়েকটা আখরোটের কুচি মিশিয়ে দিলে স্বাদ বেড়ে যায় কয়েক গুণ। কিন্তু শুধুই কি স্বাদের জন্য এত চাহিদা আখরোটের? তাই যদি হয়, তবে এত চিকিৎসক এই বাদাম খেতে বলেন কেন? অন্য বাদামের চেয়ে কোনও অংশে কম গুণ নেই আখরোটের। স্বাস্থ্যের যত্ন নানা ভাবে নিতে সক্ষম এই বাদাম। এতে আছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। রয়েছে প্রোটিন, ম্যাগনেশিয়ামের মতো আরও নানা প্রকার উপাদান। আর আছে রকমারি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। সবে মিলিয়ে শরীরকে নানা ধরনের অসুস্থতার সঙ্গে লড়তে সক্ষম করে তোলে।
আরও পড়ুন:
এখন স্বাস্থ্য সচেতন অনেকের বাড়ির হেঁশেলে আখরোট জায়গা করে নিয়েছে। সকালে উঠে অনেকেই আখরোট খান। তবে হেঁশেলে আখরোট রাখা থাকলে অল্প দিনেই তা নষ্ট হয়ে যায়। বিশেষ করে গরমের দিনে আখরোটে খুব তাড়াতাড়ি গন্ধ হয়ে যায়, স্বাদেও তেতো হয়ে যায়।
আখরোট কিন্তু একেবারেই গরম সহ্য করতে পারে না। এতে থাকা ভাল ফ্যাটগুলি গরমে নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময়ে অনলাইনে সস্তা দেখে অনেকখানি আখরোট অর্ডার করে ফেলেন কেউ কেউ। তবে সেই আখরোট সঠিক ভাবে মজুত করবেন কী ভাবে? আখরোট সব সময়ে বায়ুনিরোধক কৌটোয় ভরে রাখুন। তবে সেই কৌটো হেঁশেলের তাকে রাখলে চলবে না। রাখতে হবে ফ্রিজে। ফ্রিজে আখরোট রাখলে ৬ মাস পর্যন্ত ভাল থাকবে এই বাদাম। আর এক বছর অবধি রাখতে চাইলে ফ্রিজ়ারে রেখে দিতে পারেন।