চা কখনও অতিথি আপ্যায়নে শুধু দেওয়া হয় না। সঙ্গে বিস্কুট থাকবেই। বহু বাঙালি বাড়িতে চায়ের সঙ্গে মিষ্টি দেওয়ার রেওয়াজ ছিল।
তবে দুধ-চা আর মিষ্টি একসঙ্গে খেলে অম্বলে বুক জ্বালা কার্যত অনিবার্য। আবার বিস্কুটও বড় একঘেয়ে। শরীরের ক্ষতি না করে চা এর সঙ্গে কোন ‘টা’ দিতে পারেন বা নিজেও খেতে পারেন?
বাকলাভা: ‘টা’ ধার করতে পারেন তুরস্কের থেকে। গ্রিস, তুরস্কে হালকা মিষ্টি কিন্তু মুচমুচে বাকলাভা খাওয়ার চল রয়েছে। পাতলা ফিলো পেস্ট্রির স্তরে মধু, পেস্তা দিয়ে তা তৈরি হয়। লাল চা বা তুরস্কের কফির সঙ্গে বাকলাভা খাওয়ার চল আছে। এখন ভারতের নানা প্রান্তে এমনকি কলকাতাতেও এই খাবার মেলে। অতিথি আপ্যায়নে আনিয়ে রাখতে পারেন সেটিও।
কেক: চায়ের সঙ্গে একেবারে হালকা মিষ্টির কেকও চলতে পারে। দুধ চিনি দেওয়া চায়ের সঙ্গে স্বাদ ভাল লাগলেও অম্বলের ভয় থাকলে, লাল চা বা গ্রিন টি দিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
বাদাম: আখরোট, কাঠবাদাম, কাজু ঘিয়ে রোস্ট করে, গোলমরিচ দিয়ে নাড়াচাড়া করে রাখুন। চায়ের সঙ্গে ‘টা’ হিসাবে বাদাম উপাদেয় এবং স্বাস্থ্যকরও।
মোমো: ইদানীং অনেকেই দুধ চা বা লাল চা ছেড়ে গ্রিন টিতে চুমুক দিচ্ছেন। অতিথি তেমনটাই পছন্দ করলে সঙ্গে দিন সেদ্ধ মোমো। চিনে বিশেষ ধরনের চা মোমো দিয়ে খাওয়ার চল আছে।
টেম্পুরা: চায়ের সঙ্গে দিন চিংড়ি বা সব্জি দিয়ে তৈরি টেম্পুরা। মুচমুচে খাবারটি স্ন্যাক্স হিসাবে উপাদেয়। জাপানে বিভিন্ন সামুদ্রিক খাবার দিয়ে টেম্পুরা বানানো হয়। গ্রিন টি বা লাল চায়ের সঙ্গে থাকুক এই খাবার।